কলহ দেবপ্রসাদ জানা দেখো সেই পরিবার, কলহ করিছে বিস্তার। কুণ্ঠিত কলম তবু, কভু নাহি ডরে! কুঁজোর ও কি ইচ্ছা হয়, চিত্ হওয়ার কথা কয়। কি বিপদ-কহ বন্ধু, বিত্ত বড় করে। কি জানি-অশ্রু-জলে, পুড়ে মন রোষানলে, হিত না হইবে বন্ধু সমক বিবাদে ভ্রাতার স্বরূপ!-বলে কহি সদা নানা ছলে তাই তুমি নানা ছলে কহ প্রমাদে। "নারী কিবা পাপ!” গৃহী হয়ে পরিতাপ, ওরে মূঢ়! ভাবো বুঝি নাই কোনো উপায়। অহংকারের শেষ আছে। কালোর পরে আলো নাচে। খেদ ছাড়, যত্ন করো আপন-শিক্ষায়।
রবীন্দ্রনাথের প্রতি সুকান্ত রবীন্দ্রনাথ কে নিয়ে সুকান্ত মাত্র দুটি কবিতা লিখেছেন। একটি ছাড়পত্র কাব্যে রবীন্দ্রনাথের প্রতি, অপরটি ঘুম নেই কাব্যে পঁচিশে বৈশাখের উদ্দেশ্যে। মাত্র একুশ বছর বয়সে মারা যান কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য। তার কবিত্বের পরিপূর্ণ বিকাশ আমরা দেখতে পেলাম না। তাঁর অকাল মৃত্যু র কারণে। তবু উষা লগ্নেই তাঁর প্রতিভার যে পরিচয় পেয়েছিলেন বাংলার পাঠককুলভা অভাবনীয়। শ্রীযুক্ত জগদীশ ভট্টাচার্য লিখেছেন ব্যক্তিগত জীবনে সুকান্ত একটি বিশেষ রাজনৈতিক মতবাদে বিশ্বাসী ছিলেন। তার প্রথমদিকের অনেক রচনাতেই দলীয় শ্লোগান অতি স্পষ্ট ছিল। কিন্তু মনের বালকত্ব উত্তরণ হবার সঙ্গে সঙ্গে তার আত্মবিশ্বাস আত্মপ্রকাশকে অন্য সরতন্ত্র করে তুলেছিল। তাই কবি সুকান্ত যে আদর্শের কথা বলে গেছে তা পৃথিবীর সমস্ত মতবাদের চেয়েও প্রাচীন, সমস্ত আদর্শের চেয়েও বড়। তাই তিনি লিখতে পেরেছিলেন. আর মনে করো আকাশে আছে এক ধ্রুব নক্ষত্র নদীর ধারায় আছে গতির নির্দেশ। অরণ্যের মর্মর ধ্বনিতে আছে আন্দোলনের ভাষা। আর আছে পৃথিবীর চিরকালের আবর্তন। ( ঐতিহাসিক ছাড়পত্র। কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় বলেছেন। অসুখে পড়রার অল্পকিছুদিন আগে একদিন ওয়েলিংটন...
Comments
Post a Comment