Posts

memento

অঙ্কুরীশা শারদীয় সংখ্যা ১৪৩৩  তুলসী জানা স্মৃতি সম্মান ১৪৩৩ প্রাপক-   কবি ও সাহিত্যিক সুনীল মাজি  স্থান - কন্টাই টাউন রাখাল চন্দ্র বিদ্যাপীঠ ( উ:মা:) তারিখ- ২ রা অক্টোবর ২০২৬

zen-g

মায়াবী চোখ বাবরি চুল আলো ছড়ায় নীল রঙের  সব জানে জ্ঞান ভরপুর। স্বপ্ন অনেক ঘুমহীন রাতে সকাল বেলায় ঘুম আসে দশ এগার যাবে কতদূর। কথা বলার সময় নেই মোবাইল হাতে   পথে পথিক আমি তাই।  তুমি কি জানো  কতটা গভীর এই আলো।  মায়াবী চোখ  আমাকে টানে প্রতিদিন  হারাই আমি তার গহীনে  তোমার চোখে স্বপ্নের ছোঁয়া। চাঁদের আলো ছুঁয়ে যায় হৃদয় তোমার চোখে বাঁধা এক পৃথিবী হয়  তারার মেলা নেমে আসে নিচে  তোমার চোখে ভাসে এক সুখী মিছে।  তুমি কি শুনো  হৃদয়ের কথা এক নিমিষে।

স্মৃতি পুরস্কার ১৪৩৩

অঙ্কুরীশা শারদ সম্মান ১৪৩৩ দীপক বেরা  তাহিমুর রহমান কবি ও শিক্ষক গৌতম রায় রেনুকাবালা মণ্ডল স্মৃতি সম্মান ১৪৩৩ সৌমিত বসু বিকাশ চন্দ মাননীয়জয়শ্রী সরকার তুলসী জানা স্মৃতি সম্মান ১৪৩৩   মান্যবর  সুনীল মাঝি   মান্যবর   হরপ্রসাদ সাহু মান্যবর কবি দুর্গাদাস মিদ্যা  করুণারাণী ধল দাস স্মৃতি সম্মান ১৪৩৩ কথা সাহিত্যিক শ্রী তপন বন্দ্যোপাধ্যায় শরৎচন্দ্র মণ্ডল স্মৃতি সম্মান ১৪৩৩ পরম শ্রদ্ধেয় ড. পবিত্র সরকার মান্যবর কবি অদীপ ঘোষ গন্তব্যে পোঁছানোর নির্দেশিকা : হাওড় ও দীঘাগামী বাস / মেদিনীপুর ও কাঁথিগামী বাসে খড়গপুর বাসস্ট্যান্ডে নেমে পূর্ব দিকে ২ মিনিট হাঁটা পথ। অথবা  দীঘা ট্রেনে কাঁথি স্টেশনে নেমে অটোতে ৫ মিনিট  কণ্টাই টাউন রাখাল চন্দ্র বিদ্যাপীঠ।

সৃষ্টি

যেথায় পৃথিবী ছিল মনোহর বেশে। নেই স্থল নেই বন, অনন্ত নিবাসে। পরিপূর্ণ জল আর অন্ধকারে ঢাকা। ওম ওম শব্দ ওঠে ঘোরে মহাচাকা। অগ্নিচক্র হতে তার ঝরে পড়ে ওম। চক্রে অবস্থান করে মহাপূণ্য ক্রম। দিব্য এক মহাতেজ জ্যোতির্ময়ী দেবী। সেই দিব্য ওম এক ছিন্ন করে দেবী। সৃষ্টি হয় কালদর্শী পুরুষ মহান। দেবী তাঁরে দিলে শক্তি সরসী সমান। মুগ্ধ হই রূপ রসে দেখি পঞ্চশির। দেবীরে দেখিল দেব হইয়া অধীর। চার হস্ত দিব্য জ্যোতি অমল অধরে। মহা অন্ধকার কাটে যেন তারে ঘিরে। কহে ধীরে দিব্য জ্যোতি কহ মহাশক্তি কে আমি কেন এ মহা আরক্ত আসক্তি। কিবা কর্ম আছে হেথা আঁধার অকূলে। দেখি যে বিচিত্র শোভা শৈল আর জলে। হেথায় পৃথিবী কেন অকূল সলিলে। ভীষণ সমুদ্র ত্রাস শব্দের কল্লোলে। শুনি কহে মহাশক্তি স্বয়ম্ভুত আমি। সেই শক্তি কেন্দ্রীভূতে জন্ম নিলে তুমি। অপার জলের মাঝে নিদ্রা গেছে জ্ঞানী। অগাধ সলিল মাঝে ওম ওম ধ্বনি। অপার জলের মাঝে সৃষ্টি হবে জেনো। নিদ্রায় রয়েছে দেব অনন্ত সমুদ্রে। নাভি হতে পদ্ম ফুটে, ব্রহ্মা মহাভদ্রে। চিন্তায় মদিত হয়ে, রসের সাগর। কেমনে রচিবে সৃষ্টি, পৃথিবীর পর। নারায়ণ নিদ্রা যায়, অতি অপরূপ। উথলে ভাবুক দেব কেন রয় চুপ। মে...

উত্তম কুমার

১৯৪৮-১৯৫৫ দৃষ্টিদান (১৯৪৮) কামনা (১৯৪৯) মর্যাদা (১৯৫০) সহযাত্রী (১৯৫১) ওরে যাত্রী (১৯৫১) নষ্টনী ড় (১৯৫১) সঞ্জী বনী (১৯৫২) বসু পরি বা র (১৯৫২) কা র পা পে (১৯৫২) সা ড়ে চুয়া ত্তর (১৯৫৩) নবী ন যা ত্রা (১৯৫৩) লা খ টা কা (১৯৫৩) বউ ঠা কুরা ণী র হা ট (১৯৫৩) সদা নন্দে র মে লা (১৯৫৪) ওরা থা কে ওধা রে (১৯৫৪) মনে র ময়ূর (১৯৫৪) মরণে র পরে (১৯৫৪) মন্ত্র শক্তি (১৯৫৪) কল্যা ণী (চলচ্চি ত্র) (১৯৫৪) গৃহপ্রবে শ (১৯৫৪) চাঁ পা ডা ঙ্গা র বৌ (১৯৫৪) ব্রতচা রি ণী (১৯৫৪) বকুল (চলচ্চি ত্র) (১৯৫৪) বি ধি লি পি (১৯৫৪) অনুপমা (১৯৫৪) অন্নপূর্ণা র মন্দি র (১৯৫৪) অগ্নি পরী ক্ষা (১৯৫৪) সাঁ ঝে র প্রদী প (১৯৫৫) উপহা র (১৯৫৫) শা প মো চন (১৯৫৫) হ্রদ (চলচ্চি ত্র) (১৯৫৫) সবা র উপরে (১৯৫৫) কঙ্কা বতী র ঘা ট (১৯৫৫) রা ইকমল (১৯৫৫) দে বত্র (১৯৫৫) ১৯৫৬-১৯৬০ ত্রি যা মা (১৯৫৬) শ্যা মলী (১৯৫৬) শি ল্পী (১৯৫৬) [৩] শঙ্কর না রা য়ণ ব্যা ঙ্ক (১৯৫৬) সা হে ব বি বি গো লা ম (১৯৫৬) সা গরি কা (১৯৫৬) রা ত-ভো র(১৯৫৬) পুত্রবধূ (চলচ্চি ত্র) (১৯৫৬) নবজন্ম (১৯৫৬) লক্ষহী রা (১৯৫৬) একটি রা ত (১৯৫৬) চি রকুমা র সভা (১৯৫৬) জী বন তৃষ্ণা (১৯৫৭) [৩] অভয়ে ...

বস্তির ছেলেটা

বস্তির ছেলেটা  দেবপ্রসাদ জানা বস্তির ছেলেটা এখন রাতের গভীরে কাঁদে। গভীর অন্ধকারে এক চিলতে আলোর খোঁজে  হৃদয়ের গভীরে লুকানো ব্যথারা,  কথাতে কথা খুঁজছে; পাষাণ চাপা বুক, উন্মুক্ত হতেই চাইছে  অব্যক্ত যন্ত্রণা ! হাজারো গল্পের কালো ছায়া বস্তির ছেলেটার। মানকোচুর ভেতরে মুখ চুলকানোর রস। তার মুখ বেয়ে পড়ে। অগ্নি সাক্ষী করা জীবন সাথীর বিধ্বস্ত অন্তর-- প্রতারণায় করেছে ধ্বংস। তবু ছেলেটা চলে, জীবনের সাথেই  মদ গাঁজা হেরোইন কিংবা চোলাই  ছুঁতে পারেনি কখনো তবু চরিত্রহীন কুৎসিত মন বাকি সব গুণ বা অ-গুণ সবই আছে। ছেলেটা  বিশ্বস্ততার - অনু অংশ। তবু অসভ্য, ভীষণ রাগ, অত্যাচারী  সে নির্দ্বিধায় বাবা মায়ের অপমান সহ্য করে। সে একান্তে কাঁদে একান্তে একনিষ্ঠে কাজ করে ভালোবাসা চায়,  বিভেদে সে সংজ্ঞাও মেলে না; স্বপ্নের সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে  বোধের তালা খোলে না ! কাউকে পরোয়া করেনি সে, রেল লাইনের ধার থেকে -  স্বপ্নের অট্টালিকায় অকল্পনীয় সংসার। মহাভারত বা রামায়ণ অস্ত্র দিয়ে হয়নি - হয়েছে বাক্যবাণে - দ্রৌপদীর সেই উক্তি "অন্ধের ছেলে অন্ধ" মন্থরার কুযুক্তি, ...

6 year

> সেবা, মমতা ও করুণার প্রতিমূর্তি - সেবিকা করুণারাণী ধল দাস > ৬ষষ্ঠ  মৃত্যুবার্ষিকীতে আমার ও পরিবারের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি জল স্থল নভস্থল সকলি অমল। ফুটেছে কমল কাশ গ্রহ তারাদল। তুমি নেই পাশে আজ জীবন অচল। অর্ধ জাগরিত অর্ধ জড়িত তন্দ্রায়। ছয়টি বছর কাটে যে বিনা নিদ্রায়। তুমি হীন ঘরে বাস কোন্ সুখ তায়। গোলাপি শাড়ির সাথে সেবার ব্যাগ। জেনেছি তোমার সে স্বার্থহীন ত্যাগ। ছুটে যেতে হাসপাতালে সকাল সকাল। করুণা নামের স্বার্থকতা রেখেছ বহাল। অপরের ব্যথায় কাঁদতে তুমি গোপনে। কত মায়ের  কোলে তুলে দিলে  সন্তানে। কত রোগীর হাসি এনে দিলে জীবনে। তুমি সেবিকা, ঘরের লক্ষ্মী জননী প্রভা। দু-হাতেই সামলাতে সংসার আর সেবা। তোমার ছবির দিকে চেয়ে কাটে দিবা। আজ সেই সংসার বড় শূন্য লাগে মোর। তোমার স্মৃতিতে প্রদীপ জ্বেলে আনি ভোর। ছয় বছরে স্মৃতির আবেশে দিয়েছ সাথ। ২০২০ সালের ৭ই জানুয়ারির কালো রাত। চলে গেলে বিধাতার কাছে সব মায়া কাটিয়ে। মমতায় ভুলিয়ে চলে গেলে স্নেহবাক্য কয়ে। তোমার জন্য  আজও প্রতি বছর এই দিনে, কেমনে বর্নিব আমি স্বর্গকথা স্মৃতির বিহনে। বালিচকের আকাশে, ঘননীল আভায়। পশ্চিম মেদিনীপুরের ...