শহর
একটা ভবঘুরে আত্মা এসে জোর করে ভেতরে ঢুকে গেলো। তখনো আমি শরীর থেকে পুরোপুরি বেরোয়নি। মৃত্যু দূত তখনও আমাকে খেলাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত অ্যামোনিয়ার ঝাঁঝে ভরা শরীরটা থেকে আত্মাটা কে টেনে হিঁচড়ে বের করে নিলো মৃত্যুদূত। আর সেই মুহূর্তে ঢুকে গেলো ভবঘুরেটা। ঈশ্বর, ওই যার নাম কৃষ্ণ, কানাই, গোপাল আরো কত-কি সে যাই হোক, তার নাভি থেকে যার জন্ম তার নাম ব্রহ্মা। তার নাকি আজ কাল বড় আলস্য। কাজ পত্র ঠিক করে না। হাতে যে বেদ গুলো ছিল, তাও হারিয়ে গেছিল একবার। তাহলে বলুন আমাদের কি দোষ? আমার শরীর টাকে যদি কেউ চুরি করে কি করার আছে, সেতো নয় হলো, শরীর টা চুরি হলো, তবুও কিচ্ছু বললোনা যমদূত, আত্মা টা একটা মুচকি হেসে, হাতের দুই আঙুলে একটা ইসারা করলো, আরে ঘুষ, ঘুষ দিয়ে শরীরটা নিয়ে নিলো, আমি একটা প্রতিবাদও করতে পারলাম না। কোটি কোটি বছর ধরে একটা লোক হিসাব কষছে, বয়সের গাছ পাথর নেই, এখনও আমি ঘুরছি আমার দেহের আশেপাশে। ঘরের ভেতরে ভীষণ কান্নাকাটি। চোখ মেলেছে ভবঘুরে আত্মাটা, এবার হয়তো উঠে বসবে, কে একজন দেখতে পেয়ে বলল সুকান্ত দা চোখ খুলেছে।