Posts

এ হিন্দুত্বই

এ হিন্দুত্ব তো যেখানে  ডাকাত রত্নাকর সাধু হয় মূর্খ কালিদাস জ্ঞানী হয় শব্দকে মুঠোবন্দি করেছিলো কাল রাতে , শব্দের পিঠে চড়ে রাতদিন ঘোড়া ঘোড়া খেলা -- লাগাম পরিয়ে এক ছুটে গোল্লাছুট -  রূপকথার দেশে । গত জন্মের ভাব-আড়ি খেলায় এখানেই ইতি , কাব্যের একহাত কাঁধ ছুঁয়ে আরও ঘনিষ্ঠ -- নব দম্পতির আড়াল-আবডাল নেশা ; কাব্যের প্লাবনে ঝলমল রাতের আকাশ বেসামাল ... দু'চোখের গভীরে জমানো ডিম্বাণু  তিল তিল করে বেড়ে ওঠে জঠরে , কল্পনায় আকাশ ছোঁয়া হাতে  নবজাতকের কান্না -- কোন্ সুদূরে বেজে ওঠে মাঙ্গলিক ধ্বনি । সাত জন্মের তপস্যার ফল বুকে বয়ে ঘরে ফেরা মন মুঠোবন্দি জাতক উল্লাসে।               ____________

বাবা

-হ্যাঁ গো ক দিন ধরে অফিসে যাচ্ছো না কেন? রান্নাঘর থেকে মনোরমা রাজুর  উদ্দেশ্যে বলল। - অফিসে ছুটি নিয়েছি। শরীরটা ভালো নেই। কাজ করতে ভালো লাগছে না। মনোরমা বড় মেয়ের টিফিন বক্সটা রেডি করে দিয়ে রান্নাঘরে চলে গেলো। রাজু গভীর চিন্তায় ।

দগ্ধ

দগ্ধ  দেবপ্রসাদ জানা ভালো নেই জানি, তবুও ভালো আছি। ঠোঁটের ওপর ঠোঁট রেখে কাছাকাছি।। লুকিয়ে রাখা ঠোঁটের, আলগা হাসি। বলে দিল, ভালো আছি ভালো আছি।। কেউ ভালো নেই, তুমিও না আমিও না। মিথ্যের ধ্বংসস্তুপে শহরের আবর্জনা।। ভালোবাসার কথা, বলতে ভুলে গেছি কেন অনায়াসে বলে দিতে পারি না। নিজেকে পুড়িয়ে সোনা করে রাখি। ভালোবাসার মানুষ পাই কিনা দেখি। ঝলমলে আলোয় চকচকে শহরে  আঘাতে আঘাতে প্রতিদিন শিখি। বুকের বাঁ পকেটে হৃদয় লুকোনো। চোখের কথায়  ভুলে থাকি জেনো। বলতে চাই অনেক, হয়ে যায় অন্য  প্রেম নয়তো সম্পর্কে জট পাকানো। মিথ্যের নদীতে সাঁতরে না ভেজা শরীর । জট পাকানো সুতো খোলার মত বৃথা চেষ্টায় কেটে যায় ,  দিন ফুরোনোর বেলা ! তরে কেন অনর্গল বলতে না চাওয়া কথারা আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড় করায় আমাকে ? মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়া অগোছালো কথা বদলে দেয় সাজানো পথের দিশা ? অবুঝ অনুশোচনার ভাষা বুঝেও   বুঝতে চায় না কেউ কেউ !!!                _______________

সাধ শতবর্ষে বন্দেমাতরম সংগীতের পরিপ্রেক্ষিত

সাধ শতবর্ষে বন্দেমাতরম সংগীতের পরিপ্রেক্ষিত জ্যোতির্ময় দাশ দেড়শ বছর আগেই ইংরেজ শাসিত পরাধীন ভারতে একটি গান রচিত হয়েছিল ভিন্ন এক পরিপেক্ষিতে সেই গান রচিত হওয়ার সঠিক তিনজ্ঞাত প্রকাশিত হয় প্রথম বঙ্গদর্শন সাহিত্য পত্রিকা ৭ই নভেম্বর ১৮৭৫ সালে ১৯৫০ সালে ভারতীয় লোকসভায় জাতীয় সংগীত হিসাবে গৃহীত হয়, গানটি রচয়িতা ছিলেন সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গানটি তিনি পরবর্তীকালে আনন্দমঠ প্রকাশ, ১৮৮২ উপন্যাসে সন্ন্যাসী আন্দোলনের উদ্দীপক সংগীত বা শ্লোগান হয়ে উঠুক। বন্দেমাতরম গানটির মূল রূপ।  বন্দেমাতরম  '''''' এই গানের সম্পূর্ণ উদ্ধৃতির কারণ জানাই এবার যে অতি সম্প্রতি ১০ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ভারতীয় লোকসভার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জাতীয় সংগীতের ন্যাশনাল ম্যান আগে বন্দেমাতরম গানটি পুরোটি উঠাইতে সরকারি কোন অনুষ্ঠানে অথবা রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপালের উপস্থিতির সময় এবং সে সময় সকল শ্রোতা দর্শকদের উঠে দাঁড়িয়ে এই জাতীয় গান কে মর্যাদা প্রদান করতে হবে। অথবা এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে কোন চলচ্চিত্রের কাহিনীর মধ্যবর্তী অংশের এই গানের উল্লেখ বা গীত হলে দর্শকদের উঠে দাঁড়ানো...

শুনেছি

শুনেছি শুনেছি নাকি এই ভোটে, ভোট দিয়েছে অনেকে। নব্বই নাকি বিরানব্বই একশো জন লোকে। বিশ্বে নাকি এমন ভোট, পড়েনি আর কখনো। এস আই আরের পরে এমন, কেন হলো জানো? সবাই যখন ছাপ্পার ভয়ে ঘুমিয়ে থাকত ঘরে। নাম বুঝি বাদ যাবে তাই, ভোট দিয়েছে ডরে। এও যদি না মানো তো, বদলে দিতে আসন। স্বতঃস্ফূর্ত ভোট দিয়েছে এটাই আসল কারণ। প্রথম দফায় চার দলের, কে কত ভোট পেলো। জল্পনা আর কল্পনাতে সারা দিনটা গেলো। কেউ দিয়েছে বেকার ভাতা, আরো কত সাথি। কেউ বলছে ডবল করে দেবো রাতারাতি। আচ্ছে দিন আসবে বলে ঘুরিয়ে দাও দল। লোকে বলে ঘাট হয়েছে খুব করেছে ছল। শিক্ষা নেই চাকরি নেই, তবুও গণতন্ত্র। লাল সবুজ গেরুয়া মিলে দিচ্ছে নানান মন্ত্র। কেউ বলছে আবোল তাবোল নানা প্রতিশ্রুতি। দলে দলে লড়াই করে, করেছে অনেক ক্ষতি।

আগুন

তার নয়নে আগুন দেখেছি  আলোর ঝরনাধারা। দিনের শেষে বৈশাখী রোদ রাতের শুকতারা । মনের অতলে ডুবিয়ে রাখা বিশ্বাসের দরজায়। মনের অজান্তে হারিয়ে গেলো কিসের ঈশারায়। তার চোখে শুকতারায় আজ দিনের ইচ্ছে পূরণ -- হোঁচট খেয়েছি বারবার,,আজ তবুও ধরেছি চরণ। গলার স্বর কেঁপে উঠেছে, যেভাবেই কেঁপে ওঠে তিরতির হাওয়ায় দেবদারু ডালের সবুজ কচি পাতা। আজকাল চোখ বন্ধ করলে অনেক কিছুই দেখতে পাই;  পাহাড় গড়িয়ে ঝরনা নামছে তোমার চোখের তারায় সুদূর আলোক বর্ষ দূরের আলোর প্রভাব  ছড়িয়ে পড়েছে তোমার টুকটুকে লাল নরম দুটি গালে যেন কতকালের অন্ধকার দশা কাটিয়ে আলোর বিচ্ছুরণে ঢেকে গে'ল তোমার মুখাবয়ব।                    _________________  আগুন ছিল বীরাঙ্গনার    উদাস করা দৃষ্টিতে।    আগুন ছিল গানের সুরে    আগুন ছিল কাব্যে,    মরার চোখে আগুন ছিল    এ কথা কে ভাববে?    কুকুর-বেড়াল থাবা হাঁকায়    ফোঁসে সাপের ফণা    শিং কৈ মাছ রুখে দাঁড়ায় ...

কাদম্বরী

কাদম্বরী দেবীকে উৎসর্গীকৃত রবীন্দ্রনাথের প্রন্থ বিষয়ক একটি রচনা।ー শ্রীমতী হে: তোমাকে দিলাম ধনঞ্জয় ঘোষাল কারও কারও চোখের ওপর মেঘের রেলিং। কেউ কেউ স্বপ্নবিলাসী । ঠাকুর বাড়ির মহর্ষি পরিবারের জ্যোতিরিন্দ্রনাথের সহধর্মিনী যেন তেমনই এক মাঠের ওপর আটকে থাকা দীঘি। মাগাত্রিয় কাদম্বরীকে রবীন্দ্রনার্স কোর্ট করতে এক চাস? করেছিলেন। ভরন রবির প্রথম প্রকাশিত এন্থ কবিাহিনী, একশটিতে হয়েছিল ১৮৭৮-১ রবি তখন আঠারো বছরের যুবক। দু-বছর পরে বেরোল 'বনফুল' আর তার পরের বছর ১৮৮১ তি ককি উৎসর্গ করেননি। উৎসর্গ নেই, কর অবিবাহিত রবি হয়তো এই খুব রাখার রাতে আ ওয়াশিত হল 'বাল্মিকী প্রতিভা'। এই তিনটি বই কাউকেই সেই প্রথম, যুবক রবি কাউকে বই উৎসর্গ করছেন। ভালবাসার মানুষ ক্রিম।  কবি তাঁর চতুর্থ, সন্থের উৎসাদিরে লিখলেন- প্রমৈত্রী চে-কে উৎসনীয়। বোকান কাদম্বরী দেবীকে। কিন্তু শ্রীমতী ছে' কেন লিখলেন টচার?" এক গ্রীক দেবী, এমন রহস্যময়ী দেবী হেকেটি যাঁর পাকি পৃথিবী, স্বর্গ, সমুদ্র (মেম্ভবঙ্গ মানুষেরা শদম্বরীকে হেকেটি বলে নাকি ডাকতেন। হোমটি এডি ক্লীক ছিল। বিহারীলাল, জ্যোতিরিন্দ্রনাম ও কীঘ্রলসই বি সেই ডিন ভুবন? ...