Posts

বন্দেমাতরম

বন্দেমাতরম ধ্বনি,  সমাজ মাধ্যমে শুনি। কি করে হলো পদ্মমুখী যারা বলে নাহি মানি,  গাহে তারা প্রমাদ গুণি। কভু না করিল সুখী। করিতে মায়ের গান যেন যায় তার প্রাণ কাটাকাটি লেখনে তার। স্বাধীন ভারতে বসে বিভাগের অঙ্ক কষে। তারা আর পাবে না পার। লুকাইয়া ইতিহাস সদা করে ক্রীতদাস হিন্দু ভায়ের উপর। অত্যাচার করে যারা ইতিহাসের বই ভরা। তাদের করে সমাদর। ধর্মের পরাগ মেখে গণতন্ত্র মুখোশ ঢেকে ধর্ম নিরপেক্ষ কথা। যে ধর্মের তরে শেষ। টুকরো করিল দেশ। না জুড়ায় বুকের ব্যথা। আনন্দমঠ লিখে বন্দেমাতরম শিখে বিপ্লবে গড়িলো পুরাণ। গৃহপূর্ণ,আছে ধন  যাইবে তুর্ণ, যৌবন গাহে মহা রণের গান । আজ যেন মহা দুখ  যদি না ভুঞ্জিনু সুখ,  কি কাজ জীবনে? গলে মদ লও ঢেলে না ফুরায় রাত্রি কালে সুখে গাঢ় প্রমোদভবনে। খাদ্য লও বাছা বাছা, দাড়ি দেখে কও চাচা, বাঙালির অমূল্য রতন। সহস্র পাদুকা স্পর্শে,  পাদুকার মতাদর্শে  কত যে করিল যতন। পেটে খায় পিঠে সয়,  রামধনু রঙ কয়। রামে নেই মতি। অদ্ভুত যে চরিত্র সব অনুপ্রেরণার কলরব। না হইলো গতি। বন্দে মাতা সুরধুনি, কাগজে মহিমা শুনি মদ মাংসে পুণ্য। স্কুলের চিলে ঘরে গোপনে ক্র...

হ্যাঁ বাধ্য হলাম

১ হ্যাঁ  মন, ভেঙে গেছে, কিছুতেই ভুলতে পারি না। একটা কবিতা, কুকুরের মতো করে সম্বোধন। স্রোতে বহু আবর্জনা, গঙ্গাকেও পাপী করে। অন্যায়ের মুখোমুখি প্রতিবাদ করিনি কোনোদিন। ভালোবেসেছি, অন্ধের মতো  হিংসা আর জ্বলন বন্ধু। মনের সীমান্তএ বিস্তীর্ণ প্রান্তর।  বিদ্যুৎ-ইশারা চোখে,    ক্রমশ সংক্ষিপ্ত করে প্রতীক্ষিত দিন, -বিপর্যস্ত কণ্ঠ রুদ্ধ,  বুকে আর্তনাদ,  সযত্ন মুখোশধারীর আস্ফালন,  কাঁপে হৃৎযন্ত্র, চোখে মুখে চিহ্নিত মৃত্যু।  ব্যগ্র গাত্রোত্থানে,  অতর্কিতে বিস্ফোরণ অগ্ন্যুৎপাত হানে।  ২ সমৃদ্ধ হয় সম্ভাবিত উর্বর জঠরে।  আশ্চর্য উদ্দাম বেগে সূর্যদীপ্তি রক্তের তরঙ্গ।  অন্ধকার বুভুক্ষায় পথে মৃতদেহ- বিস্তৃর্ণ চোরাবালি, পরস্পর অযথা সন্দেহ;  দরজায় চিহ্নিত নিত্য শত্রুর উদ্ধত পদাঘাত,  অদৃষ্ট ভৎসনা-ক্লান্ত বিমর্ষ রাত, স্বর্ণ শৃঙ্খলে বন্দি অসহায় সকাল। শ্বাস রুদ্ধ হয়ে ক্রমাগত ক্ষীণ- মৃত্যুর পথ পূর্ণ করে নিঃশব্দে। ৩

ঘাসফুল

আরে আরে ছুঁড়ছ কেন ডিমের প্রচুর দাম। মালদা থেকে নিয়ে এসো পঁচে যাওয়া আম। বেড়ে গেলো ডিমের দাম এই পঁচা গরমে। টমেটো ও বাজারে ছিল পঁচলো বুঝি শরমে। দাও না ছুঁড়ে মনের জোরে  অনেক খেলি হারামে। চুপি চুপি মুখ লুকিয়ে যাচ্ছে যারা যাক না। ডিম থেকে ফুটবে বাচ্চা ডিম এখন থাকে না। যার গায়ে যটা ডিম  মেরেছো যা লুকিয়ে। শরমে তো মুখ তুলে দেখেনি তা তাকিয়ে। কোটি কোটি টাকা দেখো  ফোলছে ডোবা জমিতে। সোনার ডিম পাড়ছে দেখো। সল্টলেকের ভূমিতে। দেখে নিত চার তারিখে ফুটতো যদি ঘাসফুল। দিল্লি থেকে পা বাড়িয়ে মাড়িয়ে গেলো ঘাসফুল।

স্বপ্নপুরী লন্ডন

স্বপ্নপুরী লন্ডন আহা স্বপ্নপুরী তো নয়  খোপে খোপে ক্যান্সার। এ-কোথায় ঘুম ভাঙল আমার? পচন ধরা কাঠের গুড়ির মত। তোমরা না ফুলের শয্যায় রেখেছিলে আমাকে? শতাব্দীর কারান্ধকার যুক্ত জীবনের বসন্তের ফুল?  আমি ঘুমিয়েছিলাম-তোমাদের স্বপ্নপুরী, স্মৃতি সৌধের মণিকোঠায়, কী প্রশান্ত, পরিতৃপ্ত সে ঘুম! উঃ। ফুলগুলো কি সব কাঁটা হয়ে গেল? পাপড়িগুলো কেন এমন বিষাক্ত তীর? আমার সর্বাঙ্গে মালায় মালায় যেন কালসাপের ছোবল! না, সে স্বপ্নপুরী তো নয় এ-এ কোথায় ঘুম ভাঙল আমার? এ কি অন্ধকার পাতালপুরীতে আমি নিঃসঙ্গ একা-আমার দেহ ঘেরা কাঁচের ঢাকনাগুলোর ওধারে কাদের ওই কালো কালো মুখ? আমি কি কালঘুমে ঘুমিয়েছিলাম! আমি তো ঘুমিয়েছিলাম আমার চিরসাথীর ইস্পাতের বর্ম ঢাকা বুকের কোমল উত্তাপে। আমার একান্ত কমরেড স্তালিন তার বিশ্বস্ত হাত দু'খানা পরম স্নেহে আর নিষ্ঠায় ঢেকে রেখেছিল আমার গুলি বেঁধা বুকের পাঁজরথানাকে-উঃ! বিশ্বাসঘাতকের সেই গুলি ৩৩

আবোল ডবল

কেন জানি লাগছে ভালো আজ কবিতা লিখতে। হঠাৎ করে খুলছে কলম তোমার ছোঁয়া লাগতে। কেমন দেখো গরম কড়াই  সাহস দেখো তার। চুপটি করে ভালোবেসে ছোঁয়া নিলো তার। যার চোখের হাসিতে আমি সরস কবি হই। একটু ছোঁয়া নিতে গিয়ে দগ্ধ আমি সই। কি জ্বলছে ঠোঁট না গাল আলতো ছোঁয়া মিষ্টি। ঠোঁটের ওপর শীতল বাতাস আর হালকা বৃষ্টি অনুপ্রেরণায় লিখতে বসি তোমার ঝালে বাঁধি। ডিম দিয়ে ভাত কচুর লতি  জনতা জ্বেলে রাঁধি। মাছের ঝোল ভাত না ডাল আলু ভাতে শুকনো লঙ্কার ঝাঁজ দিলে কালো জিরার সাথে

পরিস্থিতি

প্রথম সর্গ ১ অন্ধকার হতে আজ, আলোর আকাশে। রামধনু উঠিয়াছে, মেঘ ধরে ভাসে। কাননে ফুটেছে ফুল, নানা রঙে হাসে। পাখি সব করে রব, বসন্তের মাসে। পলাশের বনে আজ, ঢেউ খেলে যায়। আগুনে ফাগুন মাস, রঙ পরিখায়। দিন শেষে অন্ধকার, গভীর নিশায়। নির্মল কুয়াশা চিরে, শশী দেখে যায় ।  কাননের পাতা ছাদ, নাচে শশিকরে।  পবন দোলায় তায় সুমধুর স্বরে ॥  নীচে তার অন্ধকারে, আছে ক্ষুদ্র নদী।  অন্ধকার মহাস্তব্ধ, বহে নিরবধি ॥  ভীম তরুশাখা যথা পড়িয়াছে জলে,  কল কল করি বারি সুরবে উছলে ॥  আঁধারে অস্পষ্ট দেখি, যেন বা স্বপন!  কলিকাস্তবকময় ক্ষুদ্র তরুগণ ॥  শাখার বিচ্ছেদে কভু, শশধরকর,  স্থানে স্থানে পড়িয়াছে, নীল জলোপর ॥  ঘোর স্তব্ধ নদীতটে; শুধু ক্ষণে ক্ষণে,  কোন কীট যায় আসে নাড়া দিয়ে বনে ॥  শুধু অন্ধকার মাঝে, অলক্ষ্য শরীর!  কোন হিংস্র পশু ছাড়ে, নিশ্বাস গভীর ॥

জন্মদিন

কবিতা :  আবার এসেছে উৎসব  আবার এসেছে উৎসব জন্মদিনের সারাদিন পরে সময়ের অভিমান একটু খুনসুটি হলো সন্ধ্যায়। বাক্য জালে বাদ্য বাজে নতুন সাজে আবার এসেছে উৎসব ছাব্বিশে মে। ছোট্টটি থেকে বেশ বড় হুকুমের গোলাম আমি আদরে আদরে সামনে বামে, আগে পিছু রংবেরং বেলুন কিছু, ভালোবাসার খোঁজে কিছু অভিমান মেখে হাতে হাত আদরের আবেশে মিষ্টি বুলি,  ভালো লাগে শাসনে শাসনে রেগে যেতে। এক মিনিটের ভেঙে যায় রাগারাগি। দীর্ঘজীবী হও ভালো থেকো  আমার অবশিষ্ট আয়ু তোমার হোক,  এগিয়ে চলো সবার আগে  আবার আসুক উৎসব জন্মদিনের। অহংকার বিস্তীর্ণ একটা মাঠ  একটা ছায়া ক্রমশ লম্বা হচ্ছে অহংকারে রোদ আর ছায়া সঙ্গে সময়  এখন সময়ের হাতে প্রচুর সময় কেবল আমাদের পছন্দের সময় নেই ফিরবে সবাই কাজে লম্বা ছায়ারা  কে জানে কতজনের প্রাণ যাবে এর মাঝে। ছায়ার পরিবার অহংকারের পরিবার কেবল ক্ষমতার বলীয়ান।  . . . .