Posts

উত্তম কুমার

১৯৪৮-১৯৫৫ দৃষ্টিদান (১৯৪৮) কামনা (১৯৪৯) মর্যাদা (১৯৫০) সহযাত্রী (১৯৫১) ওরে যাত্রী (১৯৫১) নষ্টনী ড় (১৯৫১) সঞ্জী বনী (১৯৫২) বসু পরি বা র (১৯৫২) কা র পা পে (১৯৫২) সা ড়ে চুয়া ত্তর (১৯৫৩) নবী ন যা ত্রা (১৯৫৩) লা খ টা কা (১৯৫৩) বউ ঠা কুরা ণী র হা ট (১৯৫৩) সদা নন্দে র মে লা (১৯৫৪) ওরা থা কে ওধা রে (১৯৫৪) মনে র ময়ূর (১৯৫৪) মরণে র পরে (১৯৫৪) মন্ত্র শক্তি (১৯৫৪) কল্যা ণী (চলচ্চি ত্র) (১৯৫৪) গৃহপ্রবে শ (১৯৫৪) চাঁ পা ডা ঙ্গা র বৌ (১৯৫৪) ব্রতচা রি ণী (১৯৫৪) বকুল (চলচ্চি ত্র) (১৯৫৪) বি ধি লি পি (১৯৫৪) অনুপমা (১৯৫৪) অন্নপূর্ণা র মন্দি র (১৯৫৪) অগ্নি পরী ক্ষা (১৯৫৪) সাঁ ঝে র প্রদী প (১৯৫৫) উপহা র (১৯৫৫) শা প মো চন (১৯৫৫) হ্রদ (চলচ্চি ত্র) (১৯৫৫) সবা র উপরে (১৯৫৫) কঙ্কা বতী র ঘা ট (১৯৫৫) রা ইকমল (১৯৫৫) দে বত্র (১৯৫৫) ১৯৫৬-১৯৬০ ত্রি যা মা (১৯৫৬) শ্যা মলী (১৯৫৬) শি ল্পী (১৯৫৬) [৩] শঙ্কর না রা য়ণ ব্যা ঙ্ক (১৯৫৬) সা হে ব বি বি গো লা ম (১৯৫৬) সা গরি কা (১৯৫৬) রা ত-ভো র(১৯৫৬) পুত্রবধূ (চলচ্চি ত্র) (১৯৫৬) নবজন্ম (১৯৫৬) লক্ষহী রা (১৯৫৬) একটি রা ত (১৯৫৬) চি রকুমা র সভা (১৯৫৬) জী বন তৃষ্ণা (১৯৫৭) [৩] অভয়ে ...

বস্তির ছেলেটা

বস্তির ছেলেটা  দেবপ্রসাদ জানা বস্তির ছেলেটা এখন রাতের গভীরে কাঁদে। গভীর অন্ধকারে এক চিলতে আলোর খোঁজে  হৃদয়ের গভীরে লুকানো ব্যথারা,  কথাতে কথা খুঁজছে; পাষাণ চাপা বুক, উন্মুক্ত হতেই চাইছে  অব্যক্ত যন্ত্রণা ! হাজারো গল্পের কালো ছায়া বস্তির ছেলেটার। মানকোচুর ভেতরে মুখ চুলকানোর রস। তার মুখ বেয়ে পড়ে। অগ্নি সাক্ষী করা জীবন সাথীর বিধ্বস্ত অন্তর-- প্রতারণায় করেছে ধ্বংস। তবু ছেলেটা চলে, জীবনের সাথেই  মদ গাঁজা হেরোইন কিংবা চোলাই  ছুঁতে পারেনি কখনো তবু চরিত্রহীন কুৎসিত মন বাকি সব গুণ বা অ-গুণ সবই আছে। ছেলেটা  বিশ্বস্ততার - অনু অংশ। তবু অসভ্য, ভীষণ রাগ, অত্যাচারী  সে নির্দ্বিধায় বাবা মায়ের অপমান সহ্য করে। সে একান্তে কাঁদে একান্তে একনিষ্ঠে কাজ করে ভালোবাসা চায়,  বিভেদে সে সংজ্ঞাও মেলে না; স্বপ্নের সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে  বোধের তালা খোলে না ! কাউকে পরোয়া করেনি সে, রেল লাইনের ধার থেকে -  স্বপ্নের অট্টালিকায় অকল্পনীয় সংসার। মহাভারত বা রামায়ণ অস্ত্র দিয়ে হয়নি - হয়েছে বাক্যবাণে - দ্রৌপদীর সেই উক্তি "অন্ধের ছেলে অন্ধ" মন্থরার কুযুক্তি, ...

6 year

> সেবা, মমতা ও করুণার প্রতিমূর্তি - সেবিকা করুণারাণী ধল দাস > ৬ষষ্ঠ  মৃত্যুবার্ষিকীতে আমার ও পরিবারের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি জল স্থল নভস্থল সকলি অমল। ফুটেছে কমল কাশ গ্রহ তারাদল। তুমি নেই পাশে আজ জীবন অচল। অর্ধ জাগরিত অর্ধ জড়িত তন্দ্রায়। ছয়টি বছর কাটে যে বিনা নিদ্রায়। তুমি হীন ঘরে বাস কোন্ সুখ তায়। গোলাপি শাড়ির সাথে সেবার ব্যাগ। জেনেছি তোমার সে স্বার্থহীন ত্যাগ। ছুটে যেতে হাসপাতালে সকাল সকাল। করুণা নামের স্বার্থকতা রেখেছ বহাল। অপরের ব্যথায় কাঁদতে তুমি গোপনে। কত মায়ের  কোলে তুলে দিলে  সন্তানে। কত রোগীর হাসি এনে দিলে জীবনে। তুমি সেবিকা, ঘরের লক্ষ্মী জননী প্রভা। দু-হাতেই সামলাতে সংসার আর সেবা। তোমার ছবির দিকে চেয়ে কাটে দিবা। আজ সেই সংসার বড় শূন্য লাগে মোর। তোমার স্মৃতিতে প্রদীপ জ্বেলে আনি ভোর। ছয় বছরে স্মৃতির আবেশে দিয়েছ সাথ। ২০২০ সালের ৭ই জানুয়ারির কালো রাত। চলে গেলে বিধাতার কাছে সব মায়া কাটিয়ে। মমতায় ভুলিয়ে চলে গেলে স্নেহবাক্য কয়ে। তোমার জন্য  আজও প্রতি বছর এই দিনে, কেমনে বর্নিব আমি স্বর্গকথা স্মৃতির বিহনে। বালিচকের আকাশে, ঘননীল আভায়। পশ্চিম মেদিনীপুরের ...

শকুন্তলা

শকুন্তলা নরোত্তম  নারায়ণ, দেবী সরস্বতী। নমস্কার করে করি জয় উচ্চারণ। মহর্ষি শৌনক নামে পৃথি  কুলপতি। নৈমিষারণ্যে বার্ষিক যজ্ঞ আয়োজন।  পুরাণকথক  সৌতি, এলেন সেথায় লোমহর্ষণের পুত্রে কহে  দ্বিজগণ। কোথা হতে আসিয়াছ যাইবে কোথায়? শান্ত চিত্তে বসো হেথা, তোমার আসন। মনোরম কণ্ঠে কহে পুরাণ কথক। রাজর্ষি জনমেজয় করে সর্পযজ্ঞ। কৃষ্ণদ্বৈপায়নরচিত কাহিনী রোচক। বৈশম্পায়নের  মুখে অতীব মনোজ্ঞ। পরীক্ষিৎ-সুত, কহে ওহে মুনিবর। দুষ্মন্ত -রাজার কথা শুনিব এখন। পুরাকালে মহারাজা, তার বংশধর। কেমন ছিলেন তিনি, করুন বর্ণন। চরাচরগুরু সেই হৃষীকেশ হরি। প্রনমিয়া তাঁরে আমি, ব্যক্ত করি হেথা। সর্বাগ্রে স্মরণ করি, হরি নাম করি। ব্যাসপ্রোক্ত সেই গীতি আর পুণ্যকথা,  দুষ্মন্ত নামেতে রাজা জগতে বিদিত। ধর্মতে পৃথিবী পালে, দুষ্টেরে সংহারে। তাঁহার মহিমা কথা ভারতে বন্দিত। বসুন্ধরা ভোগ করে  আসিয়া  সংসারে। মহা পরাক্রান্ত রাজা রূপগুণবন্ত। বীর পরাক্রমী রাজা  মহাধনুর্দ্ধর। পৃথিবীতে একচ্ছত্র করিল দুষ্মন্ত। মৃগরাতে সদা রত, শিকার বিস্তর। মৃগয়া করিতে গেলে, বনের ভিতর। শত হস্তী পদাতিক শত সৈন্য ...

নারী

দেখ হিন্দু-পরিবার, স্নেহ ঘরে ঘরে। কি কলহ অনিবার, কুণ্ঠিতা কমলা,  কাছে নাহি যান ডরে  বিবাহের পরে !! বনিতার ইচ্ছা যাহা, কেবল উতলা। মাতার অপ্রিয় তাহে, বিপদ-বিস্তর। ডোবে গিন্নি-অশ্রু-জলে, মাতৃরোষানলে,- হিত না বলেন পিতা, বিবাদে ভ্রাতায়! গৃহী পেয়ে পরিতাপ, "নারী কিবা বলে। রে মূঢ়! কাতর কেন থাকিতে উপায়?- খেদ ছাড়, যত্ন করো  ললনা-শিক্ষায়। কোথা শিক্ষা ললনার, হৃদয় গ্রহণ তার! কোথা দ্রুত ধেয়ে গিয়ে কেশ আকর্ষণ! সুমধুর শব্দ সহ, কোথা পাঠ নীতিবহ! কোথা চটচট চৰ্ম্ম-পাতৃকা পতন!

অপারেশন

অপারেশন দেবপ্রসাদ জানা সাতদিন অসম্ভব যন্ত্রণা  রাতের বাতাস যেন অক্সিজেন হীন  জানালার গ্রীল গুলো অদৃশ্য পাঁচির তুলে দিয়েছে। একটু বাতাস চাই, বিশুদ্ধ বাতাস। যে বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রা বেশি। ওষুধের গন্ধে ভরে আছে দশ বাই দশের ঘর। আমি হ্যাঁ করে আছি একটু বাতাসের জন্য। বুকের ওপরের দিকে উঠে যাচ্ছে যন্ত্রণা। হ্যাঁ অক্সিজেন, অম্লজান।  এ প্রাণ দায়ী বায়বীয়,  তত্ত্বগত ভাবে অসীম ক্ষমতার অধিকারী তা। ভেতর থেকে একটা কিছু বেরিয়ে আসতে চাইছে  পারছে না। বায়বীয় কিছু - এ এক সশস্ত্র লড়াই অমরত্ব লাভের। ঠিক মুখের ওপর একটা কৃত্রিম সূর্য ঠিক তার নিচে আমি রঙিন দুটো হাত এগিয়ে আসছে,  একটা প্রশ্ন করলো না দেখা মুখটা বলল বসুন সোজা হয়ে,  পিঠের ঠিক মাঝখানে শিরদাঁড়ায় পিন ফোটা বেদনা,  চোখ তাকিয়ে দেখতে পাচ্ছিলাম না কিছু। তবু ওরা বলল চোখ বন্ধ করে শুয়ে পড়ুন। পায়ের আঙুল গুলো নাড়তে পাচ্ছি না। বুকের পাঁজরের ঠিক নীচে, একটা চাপ অনুভব করছি। কিছু বুঝতে পারছি না কেন,  আর নড়তে ইচ্ছে করছে না। না নড়তে পারছি না। আমার অজান্তে বাইরের লাল বাতিটা জ্বলে গেলো নিশ্চয়।

ভবঘুরে আত্মা

ভবঘুরে আত্মা দেবপ্রসাদ জানা একটা ভবঘুরে আত্মা এসে জোর করে  ভেতরে ঢুকে গেলো। তখনো আমি শরীর থেকে পুরোপুরি বেরোয়নি। মৃত্যু দূত তখনও আমাকে খেলাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত অ্যামোনিয়ার ঝাঁঝে ভরা শরীরটা থেকে আত্মাটাকে টেনে হিঁচড়ে বের করে নিলো মৃত্যুদূত। আর সেই মুহূর্তে ঢুকে গেলো ভবঘুরেটা। ঈশ্বর, ওই যার নাম কৃষ্ণ, কানাই,  গোপাল আরো কত-কি সে যাই হোক, তার নাভি থেকে যার জন্ম তার নাম  ব্রহ্মা। তার নাকি আজ কাল বড় আলস্য। কাজ পত্র ঠিক করে না। হাতে যে বেদ গুলো ছিল, তাও হারিয়ে গেছিল একবার। তাহলে বলুন আমাদের কি দোষ?  আমার শরীরটাকে যদি কেউ চুরি করে,  কি করার আছে,  সেতো নয় হলো, শরীরটা চুরি হলো, তবুও কিচ্ছু বললোনা যমদূত,  আত্মাটা একটা মুচকি হেসে, হাতের দুই আঙুলে  একটা ইসারা করলো,  আরে ঘুষ, ঘুষ দিয়ে শরীরটা নিয়ে নিলো, আমি একটা প্রতিবাদও করতে পারলাম না। কোটি কোটি বছর ধরে একটা লোক  হিসাব কষছে, বয়সের গাছ পাথর নেই,  এখনও আমি ঘুরছি আমার দেহের আশেপাশে। ঘরের ভেতরে ভীষণ কান্নাকাটি। চোখ মেলেছে ভবঘুরে আত্মাটা,  এবার হয়তো উঠে বসবে,  কে একজন দেখতে পেয়ে বলল...