মহাবলী
মহাবলী অসুরকুলের ইতি, করে সাধ্যকার। নরসিংহ হস্তে মৃত হিরণ্যকশিপু। তাঁর পুত্র প্রহ্লাদই নিলে রাজ্যভার কপট কৌশল মন হিরণ্যকশিপু। ভক্তির যে বীজ ছিল প্রহ্লাদ হৃদয়ে উত্তরাধিকার পায় পুত্র বিরোচন। তার পুত্র মহাবলী অটুট প্রত্যয়ে। দান ধ্যান বহু খ্যাতি, করিছে বহন। খ্যাতির শিখরে তার নাম ঘরে ঘরে। সমাজে গণিত তিনি নীতি পরায়ণ। পৃথিবীর শুভ কাজ অনায়াসে সারে। প্রেম মৈত্রী পূর্ণ মন প্রভূত কারণ। জগতে আছে, ইন্দ্র বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের বেশে তাঁর কাছে এসে তাঁর মস্তকই দান হিসেবে চেয়েছিলেন, আর বিরোচন বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করে নিজের মাথা দান করেছিলেন। সেই বংশেই জন্ম নিলেন মহাবলী। শুক্রাচার্যের নির্দেশে মহাবলী বিরাট যজ্ঞ সম্পন্ন করলে যজ্ঞাগ্নি থেকে তাঁর জন্য আবির্ভূত হয় দিব্য রথ, অশ্ব, ধনু ও অস্ত্র; প্রহ্লাদ তাঁকে দেন অবিনশ্বর মালা, আর শুক্রাচার্য দেন শঙ্খ। সেই শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে মহাবলী দেবতাদের পরাজিত করে স্বর্গ, মর্ত্য ও পাতাল—তিন ভুবনের অধিপতি হয়ে উঠলেন। ইন্দ্র সিংহাসনচ্যুত হলেন, আর দেবতারা প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে পালিয়ে, লুকিয়ে লুকিয়ে দিন কাটাতে লাগলেন। দেবতাদের এ...