Posts

শিব

জটাটবীগলজ্জলপ্রবাহপাবিতস্থলে গলেবলংব্য় লংবিতাং ভুজংগতুংগমালিকাম্ । ডমড্ডমড্ডমড্ডমন্নিনাদবড্ডমর্বয়ং চকার চংডতাংডবং তনোতু নঃ শিবঃ শিবম্ ॥ 1 ॥ তরল অনল গগন পবন যার ব'লে জটাধারী চন্দ্রশেখর  জটাকটাহসংভ্রমভ্রমন্নিলিংপনির্ঝরী- -বিলোলবীচিবল্লরীবিরাজমানমূর্ধনি । ধগদ্ধগদ্ধগজ্জ্বলল্ললাটপট্টপাবকে কিশোরচংদ্রশেখরে রতিঃ প্রতিক্ষণং মম ॥ 2 ॥ ধরাধরেংদ্রনংদিনীবিলাসবংধুবংধুর স্ফুরদ্দিগংতসংততিপ্রমোদমানমানসে । কৃপাকটাক্ষধোরণীনিরুদ্ধদুর্ধরাপদি ক্বচিদ্দিগংবরে মনো বিনোদমেতু বস্তুনি ॥ 3 ॥ জটাভুজংগপিংগলস্ফুরত্ফণামণিপ্রভা কদংবকুংকুমদ্রবপ্রলিপ্তদিগ্বধূমুখে । মদাংধসিংধুরস্ফুরত্ত্বগুত্তরীযমেদুরে মনো বিনোদমদ্ভুতং বিভর্তু ভূতভর্তরি ॥ 4 ॥ সহস্রলোচনপ্রভৃত্যশেষলেখশেখর প্রসূনধূলিধোরণী বিধূসরাংঘ্রিপীঠভূঃ । ভুজংগরাজমালয়া নিবদ্ধজাটজূটক শ্রিয়ৈ চিরায় জাযতাং চকোরবংধুশেখরঃ ॥ 5 ॥ ললাটচত্বরজ্বলদ্ধনংজযস্ফুলিংগভা- -নিপীতপংচসাযকং নমন্নিলিংপনাযকম্ । সুধাময়ূখলেখয়া বিরাজমানশেখরং মহাকপালিসংপদেশিরোজটালমস্তু নঃ ॥ 6 ॥ করালফালপট্টিকাধগদ্ধগদ্ধগজ্জ্বল- দ্ধনংজয়াধরীকৃতপ্রচংডপংচসাযকে । ধরাধরেংদ্রনংদিনীকুচাগ্রচিত্রপত্রক- -প্রকল্পনৈকশিল্...

অ আ

অ আ ই ঈ  পড়ব কই স্কুল নেই উ উ ঋ ৯ স্কুল আছে মাষ্টার কই? পড়ব আমি মা'র কাছে তার সেবাতেই প্রজন্মরা অন্ন পেয়ে খায়, বাঁচে। মায়ের থেকে নাই বড় কেউ বনস্পতি মাতৃকুল মায়ের ছায়া আস্ত মায়া মাতৃ-হৃদয় শুভ্র ফুল। সিক্ত মায়ের কণ্ঠ যেন শান্ত, মধুর কূজন-গীত– ঘাটতি কোথাও নাই যেন তার মাতৃ সেবায় জীবন-ভিত। মায়ের জীবন আদর্শময় শ্রেষ্ঠতম সংবিধান মায়ের স্মৃতি সুধার মতো মা'র ভূমিকায় শিক্ষা দান। আর্দ্র মায়ের বক্ষ যেন সাগর ভরা অতল নীর মায়ের প্রভাব ধন্য করে– মাতৃ-হৃদয় সংহতির।

অনুকবিতা

১ পরের বউ রসগোল্লা নিজের বউ উচ্ছে। মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে  জড়িয়ে ধরার ইচ্ছে। ২ আদালতে মক্ষীরানি আইন নিয়ে দরাদরি দেখো যেন বীণাপাণি বাজেটে তাই ছড়াছড়ি। ৩ কার হবে দেশ জয় লড়াই তার মন্দ নয়। কাণ্ড দেখে লাগে ভয় দেশের টাকা হচ্ছে ক্ষয়। ৪ আজ চাই ভারত মায়ের সুভাষ সমান সন্তান। লক্ষ জোয়ান লক্ষ শহীদ  সহস্রাবাদ্দে অম্লান। ৫ অহংকার তোর যার তরে আর কতদিন এ চরাচরে। ৬ মহামুনি মহাজন যে পথে করে গমন সে পথ ধরে চলি, সেই মত কথা বলি মহাজ্ঞানে পূর্ণ মন, থাকে যেন আমরণ। বিষয় আশয় ফেলি আজ, মহৎ হতে চলি। ৭ আজ গগনে চাঁদ এসেছে আজ বিহানে জোছনা। আজ আঙিনায় ফুল হেসেছে  আজ নয়নে বেদনা। ৮ বাংলায়-অমৃতরাশি শব্দের ভাণ্ডার। রক্ত ঢেলে, রক্ষা করো বাঙলা ভাষার। ৯ সকালবেলা হয়নি সকাল সকাল হলো দুপুর। ভোরেরবেলা হয় যে রাত ভালোবাসা ভরপুর। সকাল সকাল কুহু গানে ডেকে ডেকে বসন্ত আনে ১০ মন মেতেছে আজ তোর ঢঙে মাতিয়ে নে মন ফাগুন রঙে। ১১ ওরে পুরবাসি ছাড়ো বেড, আসছে ধেয়ে আলফ্রেড। ১২ বাহা-রে জননী যিনি কন্যা প্রসবে ডরে তিনি ভ্রূণ বধেন সদা এড়াইয়া দায়। ১৩ অন্ধকারে খোলা, দরজার খিল। ছাব্বিশ হাজারে, চাকরি বাতিল। ১৪ যারা দিলো ঘুষে টাকা তার...

মনন চিন্তন কল্পনায়

মনন চিন্তন কল্পনায় দেবপ্রসাদ জানা ভালোবাসা হোক চিরন্তন কিংবা চিরন্তনী  অনন্ত পথ পেরিয়ে সময়ের সঙ্গে লড়াই ক'রে মনন চিন্তন কল্পনায়। দায়হীন ভাঙন  দমনের দায় নেই,  আত্মকেন্দ্রিক বিলাসের বাসনা থাকেই। চৈতন্যের আকাশ অন্ধকারে  কবি সাহিত্যিক বোধনের আভাস দিয়ে  নির্বোধনের ভাবনায় শান্তসমাহিত  কিছু লোক, কিছু কবি, আর যাঁরা নিজেকে সাহিত্যিক বলে দাবি করে, যাঁরা শুধু  নিজের লেখা নিজেই পড়ে, শ্রোতাহীন মঞ্চে। শোনে না তারাও যাঁরা বসে থাকে নিজের লেখা পড়ে নিজেকে খুশি করার জন্য, হ্যাঁ আমি তাদের কথাই বলছি। আরো কিছু কবি বা লেখক মনে ভাবে তুমি যদি আমার লেখা শোনো, তবেই তোমার লেখা শুনবো, তুমি যেটা পড়বে। জ্ঞান গর্ভের শ্রদ্ধাচারে নৈতিক প্রয়াস টুকু নেই যে লেখায় পথের খোঁজ পাই না , কি মোহ মায়াজালে জর্জরিত লেখক সমাজ। অক্ষর গুলো শব্দ হয়ে বিনা ছন্দে জাহ্নবী যমুনার নীল জলে মিশে  রক্তাক্ত আগুন কবিতা শীতের রাতে  কম্বল চাপা দিয়ে কাঁপে। কবির আত্ম চিৎকার শুনে মন কাঁদে বৈদিক মন্ত্রের একাডেমি গৃহে কবিশ্রোতার এই আত্মবলিদান, প্রবুদ্ধ চৈতন্য স্তব  শুদ্ধতার স্পর্শ দীর্ঘ প...

বেহিসাবি রাত

তুমি বলেছিলে, রাত বেশি হবে না,  সূর্য ডোবার আগেই ফিরে আসবে,  ঘনিয়ে এলো অন্ধকার,   জোনাকিরা আলো জ্বেলে বেরিয়ে পড়েছে, বাঁশ বাগানে ঝি ঝি পোকারা গান জুড়েছে, দূরে নদীর স্রোত কানে আসছে,  হাসুহানার সুবাসে দীর্ঘনিশ্বাস গেছে মিশে। ওধারে ছাতিম ফুলের গন্ধ মাথা চাড়া দিচ্ছে। কয়েকটা বাদুড় ওড়ে গেলো ভয়ে ভয়ে,  তাল গাছ বেয়ে হুতুম পেঁচা নেমে আসবে একটু পরে। স্তব্ধ-দুপুর রাতের আগে। শেষ ঝিকিমিকি অন্তসাক্ষী ওই আকাশ।  ঝিল্লির রবে শিহরি শিহরি বিনিদ্র রাত কাটে।  তুমি বলেছিলে,  'অপলক চোখে,  উজোব হবে এ নিশি । জাগে শুকতাবা, উর্মি ছলকে ঝলকে দীঘিব ঘাটে।

ছেনাল বাতাস

ছেনাল বাতাস দেবপ্রসাদ জানা ঝরা পালকের প্রতিশব্দ জেগে রইল, এক নমনীয় হিমজা আলোর অস্ফুট চপল ইশারায়, আমোদিনী শিউলির বনে ফুল,  ঢলে ঢলে ছেনাল হাওয়ার বেলেল্লাপনা, এক্কা-দোক্কা খেলার অগোচরে আশ্চর্য হিম অন্ধকার। বেওয়ারিশ পালকের ছেনাল নৃত্য চোঁয়ানো আলোয়। হা-নগ্ন একা সে পাগলিনী-  অন্ধকারে জেগে থাকে শরীরি পিপাসা  ঘরময় বেওয়ারিশ পালকের অসতর্ক সরলিত পরকীয়া। বিলাসি বেহুল হৃদয় সেদিন প্রতারক। আলো-আঁধারি ভোরের বাগানে ছদ্মবেশী নিয়তি। কয়েক হাজার বছর আগে পরকীয়ার জন্ম, তবু আজো জীবিত, অষ্টাদশী,  একা একা শিউলি কুড়োয়।  তার কিশোরী শরীরে-  একটু একটু করে ফুটে ওঠা নম্র কুসুমকলির, অমল আভাস।  সোঁদামাটি নাভি ছুঁতে চায়, কি অপরূপ পালকের স্থাপত্য।  বিভাজিত বক্ষস্থলে আলতো আঁধারের রেখা,  প্রতিটা মিথুনমুদ্রার সোহাগী জ্যামিতি।  দলা দলা লজ্জা প্রলুব্ধ করছে।  চুপি চুপি সুখ শরীরের প্রতিটা রক্ত-নলির আনাচে-কানাচে। যুদ্ধ বিক্ষুব্ধ জোছনা পোয়াতি রাতের পেট খসিয়ে- আরো একটা বেজন্মা ভোর।  উদোম, চঞ্চল মোহময় তার নরম গোলাপী অবয়ব।  যেন জ্বলন্ত দাবানলে কুয়াশিত ভোর,  অপ...

বারবারিক

মহাভারতের এক জীবন্ত চরিত্র "বারবারিক" কাহিনি- 💠 মহাভারতের এক অন্যতম শক্তিশালী এবং উপেক্ষিত চরিত্র হলেন বারবারিক। ভীমের পৌত্র এবং ঘটোৎকচের পুত্র বারবারিককে মহাভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী যোদ্ধাদের মধ্যে একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যদিও তিনি সরাসরি কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে অংশ নেননি, তবে তার কাহিনী যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। 🌿🌿বারবারিকের পরিচয়🌿🌿 বারবারিক ছিলেন ঘটোৎকচ এবং মৌরবী বা আহিলাবতী'র পুত্র। শৈশব থেকেই তিনি অত্যন্ত সাহসী এবং বীর যোদ্ধা ছিলেন। তিনি তার মায়ের কাছ থেকে যুদ্ধবিদ্যা শেখেন। তপস্যা করে শিবের কাছ থেকে তিনি তিনটি অমোঘ বাণ লাভ করেন। এই তিনটি বাণের সাহায্যে তিনি একাই যেকোনো যুদ্ধে জয়লাভ করতে পারতেন। এই বাণগুলো এমন ছিল যে, প্রথম বাণ দিয়ে তিনি যাদের ধ্বংস করতে চান তাদের চিহ্নিত করতে পারতেন, দ্বিতীয় বাণ দিয়ে যাদের রক্ষা করতে চান তাদের চিহ্নিত করতেন, এবং তৃতীয় বাণটি দিয়ে চিহ্নিত করা সমস্ত শত্রুদের ধ্বংস করে আবার তার তূণীরে ফিরে আসতো। 🌿🌿কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে বারবারিক🌿🌿 কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ যখন অনিবার্য হয়ে ওঠে, তখন বারবারিক যুদ্ধ দেখতে আসেন। তার মা-কে তিনি প্রতিশ্...