শকুন্তলা
শকুন্তলা নরোত্তম নারায়ণ, দেবী সরস্বতী। নমস্কার করে করি জয় উচ্চারণ। মহর্ষি শৌনক নামে পৃথি কুলপতি। নৈমিষারণ্যে বার্ষিক যজ্ঞ আয়োজন। পুরাণকথক সৌতি, এলেন সেথায় লোমহর্ষণের পুত্রে কহে দ্বিজগণ। কোথা হতে আসিয়াছ যাইবে কোথায়? শান্ত চিত্তে বসো হেথা, তোমার আসন। মনোরম কণ্ঠে কহে পুরাণ কথক। রাজর্ষি জনমেজয় করে সর্পযজ্ঞ। কৃষ্ণদ্বৈপায়নরচিত কাহিনী রোচক। বৈশম্পায়নের মুখে অতীব মনোজ্ঞ। পরীক্ষিৎ-সুত, কহে ওহে মুনিবর। দুষ্মন্ত -রাজার কথা শুনিব এখন। পুরাকালে মহারাজা, তার বংশধর। কেমন ছিলেন তিনি, করুন বর্ণন। চরাচরগুরু সেই হৃষীকেশ হরি। প্রনমিয়া তাঁরে আমি, ব্যক্ত করি হেথা। সর্বাগ্রে স্মরণ করি, হরি নাম করি। ব্যাসপ্রোক্ত সেই গীতি আর পুণ্যকথা, দুষ্মন্ত নামেতে রাজা জগতে বিদিত। ধর্মতে পৃথিবী পালে, দুষ্টেরে সংহারে। তাঁহার মহিমা কথা ভারতে বন্দিত। বসুন্ধরা ভোগ করে আসিয়া সংসারে। মহা পরাক্রান্ত রাজা রূপগুণবন্ত। বীর পরাক্রমী রাজা মহাধনুর্দ্ধর। পৃথিবীতে একচ্ছত্র করিল দুষ্মন্ত। মৃগরাতে সদা রত, শিকার বিস্তর। মৃগয়া করিতে গেলে, বনের ভিতর। শত হস্তী পদাতিক শত সৈন্য ...