সৃষ্টি
যেথায় পৃথিবী ছিল মনোহর বেশে। নেই স্থল নেই বন, অনন্ত নিবাসে। পরিপূর্ণ জল আর অন্ধকারে ঢাকা। ওম ওম শব্দ ওঠে ঘোরে মহাচাকা। অগ্নিচক্র হতে তার ঝরে পড়ে ওম। চক্রে অবস্থান করে মহাপূণ্য ক্রম। দিব্য এক মহাতেজ জ্যোতির্ময়ী দেবী। সেই দিব্য ওম এক ছিন্ন করে দেবী। সৃষ্টি হয় কালদর্শী পুরুষ মহান। দেবী তাঁরে দিলে শক্তি সরসী সমান। মুগ্ধ হই রূপ রসে দেখি পঞ্চশির। দেবীরে দেখিল দেব হইয়া অধীর। চার হস্ত দিব্য জ্যোতি অমল অধরে। মহা অন্ধকার কাটে যেন তারে ঘিরে। কহে ধীরে দিব্য জ্যোতি কহ মহাশক্তি কে আমি কেন এ মহা আরক্ত আসক্তি। কিবা কর্ম আছে হেথা আঁধার অকূলে। দেখি যে বিচিত্র শোভা শৈল আর জলে। হেথায় পৃথিবী কেন অকূল সলিলে। ভীষণ সমুদ্র ত্রাস শব্দের কল্লোলে। শুনি কহে মহাশক্তি স্বয়ম্ভুত আমি। সেই শক্তি কেন্দ্রীভূতে জন্ম নিলে তুমি। অপার জলের মাঝে নিদ্রা গেছে জ্ঞানী। অগাধ সলিল মাঝে ওম ওম ধ্বনি। আবির্ভাব হবে নিদ্রায় রয়েছে দেব অনন্ত সমুদ্রে। নাভি হতে পদ্ম ফুটে, ব্রহ্মা মহাভদ্রে। চিন্তায় মদিত হয়ে, রসের সাগর। কেমনে রচিবে সৃষ্টি, পৃথিবীর পর। নারায়ণ নিদ্রা যায়, অতি অপরূপ। উথলে ভাবুক দেব কেন রয় চুপ। মেঘমালে শ্যাম অঙ...