Posts

Showing posts from May, 2026

জন্মদিন

কবিতা :  আবার এসেছে উৎসব  আবার এসেছে উৎসব জন্মদিনের সারাদিন পরে সময়ের অভিমান একটু খুনসুটি হলো সন্ধ্যায়। বাক্য জালে বাদ্য বাজে নতুন সাজে আবার এসেছে উৎসব ছাব্বিশে মে। ছোট্টটি থেকে বেশ বড় হুকুমের গোলাম আমি আদরে আদরে সামনে বামে, আগে পিছু রংবেরং বেলুন কিছু, ভালোবাসার খোঁজে কিছু অভিমান মেখে হাতে হাত আদরের আবেশে মিষ্টি বুলি,  ভালো লাগে শাসনে শাসনে রেগে যেতে। এক মিনিটের ভেঙে যায় রাগারাগি। দীর্ঘজীবী হও ভালো থেকো  আমার অবশিষ্ট আয়ু তোমার হোক,  এগিয়ে চলো সবার আগে  আবার আসুক উৎসব জন্মদিনের। অহংকার বিস্তীর্ণ একটা মাঠ  একটা ছায়া ক্রমশ লম্বা হচ্ছে অহংকারে রোদ আর ছায়া সঙ্গে সময়  এখন সময়ের হাতে প্রচুর সময় কেবল আমাদের পছন্দের সময় নেই ফিরবে সবাই কাজে লম্বা ছায়ারা  কে জানে কতজনের প্রাণ যাবে এর মাঝে। ছায়ার পরিবার অহংকারের পরিবার কেবল ক্ষমতার বলীয়ান।  . . . .

এ হিন্দুত্বই

এই হিন্দুত্বতেই  ডাকাত রত্নাকর সাধু হয় মূর্খ কালিদাস জ্ঞানী হয় ভাঙন দেবপ্রসাদ জানা ভাঙছে দোকান ভাঙছে ঘর জবর দখল উঠল শেষে। বুলডোজারের বৈশাখী ঝড় উড়িয়ে দিলো শান্ত বেশে। সীমান্তে আজ পড়ল বেড়া  প্রতিবাদী গুপ্তচর। প্রতিবেশী দিশেহারা ভাঙলো বুঝি গুপ্তগড়। চারদিকে তার গেরুয়া ঘেরা ডিপ সবুজের চক্র শেষ। দলে দলে সীমান্তে ভিড় সুস্থ হবে এবার দেশ। অনুপ্রেরণায় অনুপ্রবেশ এবার বুঝি হলো শেষ। কাঁটা তারের দেওয়াল তুলে স্বচ্ছ হবে এবার দেশ। বাংলা ভাষার নামে যারা রব তুলেছে বাংলা জয়। মুঠোবন্দি করার আশায় শব্দ আজ পাচ্ছে ভয়। শব্দের পিঠে শব্দ জুড়ে  চড়ে রাতদিন ঘোড়া ঘোড়া খেলা -- লাগাম পরিয়ে এক ছুটে গোল্লাছুট -  রূপকথার দেশে । গত জন্মের ভাব-আড়ি খেলায় এখানেই ইতি , কাব্যের একহাত কাঁধ ছুঁয়ে আরও ঘনিষ্ঠ -- নব দম্পতির আড়াল-আবডাল নেশা ; কাব্যের প্লাবনে ঝলমল রাতের আকাশ বেসামাল ... দু'চোখের গভীরে জমানো ডিম্বাণু  তিল তিল করে বেড়ে ওঠে জঠরে , কল্পনায় আকাশ ছোঁয়া হাতে  নবজাতকের কান্না -- কোন্ সুদূরে বেজে ওঠে মাঙ্গলিক ধ্বনি । সাত জন্মের তপস্যার ফল বুকে বয়ে ঘরে ফেরা মন মুঠোবন্দি জাতক উল্লাসে।...

বাবা

-হ্যাঁ গো ক দিন ধরে অফিসে যাচ্ছো না কেন? রান্নাঘর থেকে মনোরমা রাজুর  উদ্দেশ্যে বলল। - অফিসে ছুটি নিয়েছি। শরীরটা ভালো নেই। কাজ করতে ভালো লাগছে না। মনোরমা বড় মেয়ের টিফিন বক্সটা রেডি করে দিয়ে রান্নাঘরে চলে গেলো। রাজু গভীর চিন্তায় ।

দগ্ধ

দগ্ধ  দেবপ্রসাদ জানা ভালো নেই জানি, তবুও ভালো আছি। ঠোঁটের ওপর ঠোঁট রেখে কাছাকাছি।। লুকিয়ে রাখা ঠোঁটের, আলগা হাসি। বলে দিল, ভালো আছি ভালো আছি।। কেউ ভালো নেই, তুমিও না আমিও না। মিথ্যের ধ্বংসস্তুপে শহরের আবর্জনা।। ভালোবাসার কথা, বলতে ভুলে গেছি কেন অনায়াসে বলে দিতে পারি না। নিজেকে পুড়িয়ে সোনা করে রাখি। ভালোবাসার মানুষ পাই কিনা দেখি। ঝলমলে আলোয় চকচকে শহরে  আঘাতে আঘাতে প্রতিদিন শিখি। বুকের বাঁ পকেটে হৃদয় লুকোনো। চোখের কথায়  ভুলে থাকি জেনো। বলতে চাই অনেক, হয়ে যায় অন্য  প্রেম নয়তো সম্পর্কে জট পাকানো। মিথ্যের নদীতে সাঁতরে না ভেজা শরীর। জট পাকানো সুতোয়, জড়ানো অস্থির। বৃথা চেষ্টায় কেটে যায়, দিনের বেলা! অনর্গল বলতে না চাওয়া কথার খেলা।

সাধ শতবর্ষে বন্দেমাতরম সংগীতের পরিপ্রেক্ষিত

সাধ শতবর্ষে বন্দেমাতরম সংগীতের পরিপ্রেক্ষিত জ্যোতির্ময় দাশ দেড়শ বছর আগেই ইংরেজ শাসিত পরাধীন ভারতে একটি গান রচিত হয়েছিল ভিন্ন এক পরিপেক্ষিতে সেই গান রচিত হওয়ার সঠিক তিনজ্ঞাত প্রকাশিত হয় প্রথম বঙ্গদর্শন সাহিত্য পত্রিকা ৭ই নভেম্বর ১৮৭৫ সালে ১৯৫০ সালে ভারতীয় লোকসভায় জাতীয় সংগীত হিসাবে গৃহীত হয়, গানটি রচয়িতা ছিলেন সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গানটি তিনি পরবর্তীকালে আনন্দমঠ প্রকাশ, ১৮৮২ উপন্যাসে সন্ন্যাসী আন্দোলনের উদ্দীপক সংগীত বা শ্লোগান হয়ে উঠুক। বন্দেমাতরম গানটির মূল রূপ।  বন্দেমাতরম  '''''' এই গানের সম্পূর্ণ উদ্ধৃতির কারণ জানাই এবার যে অতি সম্প্রতি ১০ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ভারতীয় লোকসভার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জাতীয় সংগীতের ন্যাশনাল ম্যান আগে বন্দেমাতরম গানটি পুরোটি উঠাইতে সরকারি কোন অনুষ্ঠানে অথবা রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপালের উপস্থিতির সময় এবং সে সময় সকল শ্রোতা দর্শকদের উঠে দাঁড়িয়ে এই জাতীয় গান কে মর্যাদা প্রদান করতে হবে। অথবা এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে কোন চলচ্চিত্রের কাহিনীর মধ্যবর্তী অংশের এই গানের উল্লেখ বা গীত হলে দর্শকদের উঠে দাঁড়ানো...