শিরোনাম : চিঠি
কলমে : দেবপ্রসাদ জানা
তারিখ : ১৫/০৪/২০২০
বয়স বেড়েছে অনেক
বয়সের বাড়াবাড়ি
এখন কি আর মানায়
সোহাগ আড়ি।
শিকেয় তুলেছি লেখালিখি
শুধু মোবাইলের ডাকাডাকি
তাকিয়ে আছি জীবনের রাস্তায়
পাছে তেনার চিঠি এসে ফিরে যায়।
কলহ দেবপ্রসাদ জানা দেখো সেই পরিবার, কলহ করিছে বিস্তার। কুণ্ঠিত কলম তবু, কভু নাহি ডরে! কুঁজোর ও কি ইচ্ছা হয়, চিত্ হওয়ার কথা কয়। কি বিপদ-কহ বন্ধু, বিত্ত বড় করে। কি জানি-অশ্রু-জলে, পুড়ে মন রোষানলে, হিত না হইবে বন্ধু সমক বিবাদে ভ্রাতার স্বরূপ!-বলে কহি সদা নানা ছলে তাই তুমি নানা ছলে কহ প্রমাদে। "নারী কিবা পাপ!” গৃহী হয়ে পরিতাপ, ওরে মূঢ়! ভাবো বুঝি নাই কোনো উপায়। অহংকারের শেষ আছে। কালোর পরে আলো নাচে। খেদ ছাড়, যত্ন করো আপন-শিক্ষায়।
নাটক লিখলেন দীনবন্ধু মিত্র, মঞ্চে অভিনয় দেখে জুতো ছুড়ে মারলেন বিদ্যাসাগর নাটকে এমন বাস্তবতার ছবি তুলে ধরেছিলেন দীনবন্ধু মিত্র, যা রঙ্গালয়ে টেনে এনেছিল খোদ বিদ্যাসাগরকে। সেই নাটক দেখেই রাগে, ক্ষোভে জুতো ছুড়ে মারেন বিদ্যাসাগর। কিন্তু কেন? শুনে নেওয়া যাক সে গল্প। প্রথম নাটকেই সারা সমাজকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। সেই নাটক দিয়েই পথচলা শুরু করেছিল বাংলার প্রথম পেশাদার থিয়েটার। এমনকি প্রায় একশো বছর পরেও সেই নাটকেরই দ্বারস্থ হয়েছিল ভারতীয় গণনাট্য সঙ্ঘ। অথচ সেই নাটক ‘নীলদর্পণ’ যিনি লিখেছিলেন, সেই দীনবন্ধু মিত্র যেন রয়ে গিয়েছেন বাঙালির বিস্মৃতির আড়ালেই। ডাকবিভাগের সরকারি চাকরির সুবাদে সারা বাংলাকে খুব কাছ থেকে দেখতে পেয়েছিলেন দীনবন্ধু। আর সেখান থেকেই তিনি তুলে নিয়েছিলেন নাটক লেখার রসদ। গ্রামেগঞ্জে ঘুরতে ঘুরতেই নীলকর সাহেবদের দৌরাত্ম্যের কথা জানতে পারেন দীনবন্ধু। তাঁর মনে হয়, গ্রামবাংলার সাধারণ খেটে-খাওয়া মানুষের স্বার্থেই এই সমস্যা বাইরের জগৎকে জানানো উচিত তাঁর। সে কথা ভেবেই তিনি কলম তুলে নিয়েছিলেন। লেখা হয়েছিল ‘নীলদর্পণ’। নীলকরদের অত্যাচারে কোথাও ধর্ষিতা হচ্ছে কৃষক মেয়ে, কোথাও জমি হারিয়ে অনাহারে ...
Comments
Post a Comment