দাসত্ব



দাসত্ব
দেবপ্রসাদ জানা

ঝঞ্চা ছুটল-
তা থেকে নিষ্ক্রান্ত হল পুঞ্জ পুঞ্জ মেঘ। 
শিলাবর্ষণ আর বজ্রনির্ঘোষ। 
ক্ষতগুলো আঘাতের পর আঘাতে।
অগ্নিময় হয়ে উঠল বজ্র।
হিংস্র উন্মত্ত বিদ্যুতের ঝলকানি। 
নির্মম উত্তাপ জ্বলতে লাগল, 
বুকের উপর চাপছে পাষাণভার। 
দাবানলের আভায় আলোকিত অথচ
নক্ষত্রহীন রাত্রির নিস্তব্ধ অন্ধকার।
সমস্ত বস্তু সমস্ত মানুষ বিপর্যস্ত।
সমস্ত হৃদয় এক অস্পষ্ট উদ্বেগে পীড়িত, 
রক্তাক্ত হাজার হাজার প্রাণ, 
শিক্ষাহীন শিক্ষিত যারা-কাঁটার মুকুটে। 
অন্ধকারের রাজ্যে ভণ্ড রাজা।
রাজা যদি প্রজার শত্রু হয়
জ্বলতে থাকে ভবিষ্যত, মশালের মতো।
আগুনের আঁচড়ে, 
কোন অক্ষয় আঁচড়ে ছিন্নভিন্ন শিক্ষা।
আত্মোৎসর্গের পথ প্রস্তরে প্রস্তরে বধ্য। 
দাসত্বের জোয়ালে, শীলমোহর 
ঘৃণার শৃঙ্খলে লজ্জার নিঃশ্বাস 
হিমের স্পর্শে পাতারা বিবর্ণ, 
মরণ-নাচ, ধূসর গলিত হেমন্ত-
শিক্ষাহীনদের দাসত্বে।

Comments

Popular posts from this blog

মহাঋষি শুক্রাচার্য্য

কলকাতার নামকরণ

শকুনি পাশা