সুর্পনক্ষা
অনেকে মনে করেন, রাক্ষ'সী শূর্পনখার সাথে এ ভারী অন্যায় হয়েছে। সে তো প্রেমের প্রস্তাব নিয়েই শ্রীরাম/লক্ষ্মণের কাছে গিয়েছিল। প্রেমের প্রস্তাব শুধু প্রত্যাখ্যান করেই কি বিষয়টিকে সেখানেই মিটিয়ে ফেলা যেত না!
পঞ্চবটীতে অবস্থানকালে রাক্ষ'সী শূর্পনখা শ্রীরামের রূপ দেখে মোহিত হয়ে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। রাম জানান যে তিনি বিবাহিত এবং সীতা তাঁর স্ত্রী। কৌতুকবশত রাম তাকে লক্ষ্মণের কাছে পাঠান। লক্ষ্মণও নিজেকে রামের অনুগত দাস হিসেবে পরিচয় দিয়ে তাকে পুনরায় রামের কাছে ফেরত পাঠান।
পরপর প্রত্যাখ্যাত হয়ে শূর্পনখা প্রচণ্ড ক্রুদ্ধ হয়ে ওঠে। সে মনে করে যে, সীতার কারণেই রাম তাকে গ্রহণ করছেন না। ফলে সে সীতাকে হ'ত্যা করে ভবক্ষণ করার জন্য উদ্যত হয় এবং সীতার ওপর আক্রমণ চালায়।
শূর্পনখার এই হিংস্র রূপ দেখে সীতা অত্যন্ত ভী'ত হয়ে পড়েন। বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও যখন শূর্পনখা যায় না, তখন শ্রীরাম লক্ষ্মণকে শূর্পনখাকে উপযুক্ত শাস্তি দিতে বলেন।
তিনি ভ্রাতা লক্ষ্মণকে আদেশ করেন শূর্পনখার নাক, কান কে'টে ফেলতে। লক্ষ্মণ বড় ভ্রাতার আজ্ঞা মত কাজ করেন।
(শূর্পনখার নাক-কান কাটা - বাল্মিকী রামায়ণ/ অরণ্যকান্ড/সপ্তদশ সর্গ)
Comments
Post a Comment