অপারেশন
অপারেশন
দেবপ্রসাদ জানা
সাতদিন অসম্ভব যন্ত্রণা
রাতের বাতাস যেন অক্সিজেন হীন
জানালার গ্রীল গুলো অদৃশ্য পাঁচির তুলে দিয়েছে।
একটু বাতাস চাই, বিশুদ্ধ বাতাস।
যে বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রা বেশি।
ওষুধের গন্ধে ভরে আছে দশ বাই দশের ঘর।
আমি হ্যাঁ করে আছি একটু বাতাসের জন্য।
বুকের ওপরের দিকে উঠে যাচ্ছে যন্ত্রণা।
হ্যাঁ অক্সিজেন, অম্লজান।
এ প্রাণ দায়ী বায়বীয়,
তত্ত্বগত ভাবে অসীম ক্ষমতার অধিকারী তা।
ভেতর থেকে একটা কিছু বেরিয়ে আসতে চাইছে
পারছে না।
বায়বীয় কিছু -
এ এক সশস্ত্র লড়াই অমরত্ব লাভের।
ঠিক মুখের ওপর একটা কৃত্রিম সূর্য
ঠিক তার নিচে আমি
রঙিন দুটো হাত এগিয়ে আসছে,
একটা প্রশ্ন করলো না দেখা মুখটা
বলল বসুন সোজা হয়ে,
পিঠের ঠিক মাঝখানে শিরদাঁড়ায়
পিন ফোটা বেদনা,
চোখ তাকিয়ে দেখতে পাচ্ছিলাম না কিছু।
তবু ওরা বলল চোখ বন্ধ করে শুয়ে পড়ুন।
পায়ের আঙুল গুলো নাড়তে পাচ্ছি না।
বুকের পাঁজরের ঠিক নীচে, একটা চাপ অনুভব করছি।
কিছু বুঝতে পারছি না কেন,
আর নড়তে ইচ্ছে করছে না।
না নড়তে পারছি না।
আমার অজান্তে বাইরের লাল বাতিটা জ্বলে গেলো নিশ্চয়।
Comments
Post a Comment