আতঙ্কের পাখি

আতঙ্কের পাখি

গভীর রাতে পাখি ডেকে উঠলে  
ভেসে ওঠে আতঙ্কের ছবি,
জীবনকে বুকের মধ্যে নিয়ে স্বপ্নের পথে-
এই বুঝি কুমারী মেয়েটার পিঠে-
কালো হাতে ছায়া পড়লো।
হয়তো দিনের আলোতেই মেয়েটা-
হয়তো বা সুরক্ষিত কর্ম ক্ষেত্রে-
কোনো দুঃশাসন, চুলের মুটি ধরে টেনে হিঁচড়ে-
নাকি ছদ্মবেশে কোনো এক ইন্দ্র-
অহল্যার শরীরটাকে -
গোপনে স্নায়ুতে স্নায়ুতে রক্তচাপ বাড়িয়ে  
একটা মহাযুদ্ধ, পথে ঘাটে অলিতে গলিতে
দেশে বিদেশে প্রতিটা পাখির ভিতরে লড়াই।  
নরম রোদের সকাল যখন যুবক হয়,
কি ভীষণ উদ্বিগ্নতা নিয়ে ডানা মেলে পাখিরা  
যেসব পাখিরা আকাশ ছুঁতে চায়
বাজপাখির কবলে পড়তে হয় তাদের।
পাখির ডানায় মুক্তির শব্দগুলি ঝরে সারাবেলা ,  
শতাব্দীর কারান্ধকার জীবনের মৌনতা কাটিয়ে-
জ্বলে উঠুক অগ্নিকুন্ড, জন্ম হবে যাজ্ঞসেনীর-
যার বুকে কুরুক্ষেত্র, যার কেশরাশি রক্তধৌত করতে
প্রতিটা দুর্যোধনের কটিকক্ষ ভাঙবে।

Comments

Popular posts from this blog

কলকাতার নামকরণ

অশ্বত্থামা

রবীন্দ্রনাথের প্রতি সুকান্ত