হ্যাঁ বাধ্য হলাম



হ্যাঁ  মন, ভেঙে গেছে, কিছুতেই ভুলতে পারি না।
একটা কবিতা, কুকুরের মতো করে সম্বোধন।
স্রোতে বহু আবর্জনা, গঙ্গাকেও পাপী করে।
অন্যায়ের মুখোমুখি প্রতিবাদ করিনি কোনোদিন।
ভালোবেসেছি, অন্ধের মতো 
হিংসা আর জ্বলন বন্ধু।
মুক্তির সীমান্ত বিস্তীর্ণ প্রান্তরে। 
বিদ্যুৎ-ইশারা চোখে, আজকেও অযুত ক্রমশ সংক্ষিপ্ত করে বিশ্বব্যাপী প্রতীক্ষিত দিন,
-বিপর্যস্ত ধনতন্ত্র, কণ্ঠরুদ্ধ, বুকে আর্তনাদ, 
-আসে শত্রুজয়ের সংবাদ।

সযত্ন মুখোশধারী আস্ফালন, কাঁপে হৃৎযন্ত্র তার, চোখে মুখে চিহ্নিত মরণ। বিপ্লব হয়েছে শুরু, পদানত জনতার ব্যগ্র গাত্রোত্থানে, দেশে দেশে বিস্ফোরণ অতর্কিতে অগ্ন্যুৎপাত হানে। দিকে দিকে কোণে-কোণে  পদধ্বনি আজো যায় শোনা দলিত হাজার কণ্ঠে বিপ্লবের আজো সম্বর্ধনা। পৃথিবীর প্রতি ঘরে ঘরে, লেনিন সমৃদ্ধ হয় সম্ভাবিত উর্বর জঠরে। আশ্চর্য উদ্দাম বেগে বিপ্লবের প্রত্যেক আকাশে  সূর্যদীপ্তি রক্তের তরঙ্গে ভেসে। অন্ধকার ভারতবর্ষ: বুভুক্ষায় পথে মৃতদেহ-অনৈক্যের চোরাবালি, পরস্পর অযথা সন্দেহ; দরজায় চিহ্নিত নিত্য শত্রুর উদ্ধত পদাঘাত, অদৃষ্ট ভৎসনা-ক্লান্ত কাটে দিন, বিমর্ষ রাত বিদেশী-শৃঙ্খলে পিষ্ট, শ্বাস তার ক্রমাগত ক্ষীণ-এখানেও আয়োজন পূর্ণ করে নিঃশব্দে।

Comments

Popular posts from this blog

দাসত্ব

কলহ

রবীন্দ্রনাথের প্রতি সুকান্ত