অবসরে

      অবসরে 

দেবপ্রসাদ জানা

  ১৮.৪.২০২১


বলিনি কাউকে আমি,আমার অজান্তে

স্বপ্নের ঘোরে,আমার শরীরে পোকারা

অবসরে বাসা করে নীরবে নিভৃতে,

দেহের মধ্যে লুকানো,আঁধার গুহায়।

আকাশে উত্তাপ তাই আকন্ঠ উষ্ণতা 

পান করে,পিপাসার্ত পোকা।আত্মক্ষতে

নগ্নতার ছায়াচিত্র,মনের উচ্ছাসে,

ধীর পায়ে হেঁটে এসে একদিন,দেহে

অযাচিত ভাবে বাসা বাঁধে বিস্মরণে।

শুকনো বালির মতো মুঠোর ভিতর

হতে অবাধে বেরিয়ে আসে চিরকাল।

নির্জন দুপুরে স্বস্তি নেই,শরীরের।

হৃদয়ের পাতা মুড়ে,পঙ্কিল পাপের,

আঁকা-বাঁকা প্রশ্নচিহ্ন মননের ভ্রমে,

কি চায় পোকারা? এই ন্যাঁড়া গাছটাতে,

দু'চোখ ঝাপসা হয়ে আসে,ভেসে ওঠে

আকাঙ্ক্ষিত বাসনার নারীচিত্র মনে।

নেশার বিষন্নতায় ছুঁয়ে থাকি তারে।

খিদে বাড়ে শরীরের,নব কোষে কোষে,

অনুভূতি অসহায়,নিরুপায়,আজ-

ভালোবাসা লালসায় করে হাহাকার।

প্রেমের নদী,মনের দহনে শুকায়।

শেষ বসন্তে পলাশ গাছে ফোটে ফুল

শাখায় শাখায়,লাল লাল ফুল ভোরে।

এবার বৃষ্টি আসুক,রাত শেষ হলে।

তোড়পাড় করা পোকা,শরমে লুকিয়ে 

যাক,বর্ষা কেটে গেলে,স্বেচ্ছা অবসরে।


Comments

Popular posts from this blog

কলকাতার নামকরণ

রবীন্দ্রনাথের প্রতি সুকান্ত

অশ্বত্থামা