সূর্যটা আজ


সূর্যটা আজ
দেবপ্রসাদ জানা

একবার চেয়ে দেখো আকাশের কানায় কানায়। দেখবে সৌরমণ্ডলের ত্রিপদী ছন্দ পূরাণগাথায়।
পৌরাণিক রমনীর মতো ওই ভোরের সূর্যটাকে। 
ঋষি সূর্যের ধ্যান ভঙ্গ করতে তারে ঘিরে রাখে।
ঘুমকাতুরে বৃষ্টিরা, মেঘের কোলে নিদ্রা যায়। 
রাত, কেটে গেলেই প্রতিদিনের মতো নিরালায়।
দৈন্যময় ঘূর্ণায়মান গ্রহ পৃথিবীটাকে পোড়াতে।
একটা সূর্য নয়, জাগতিক ঘূর্ণনে হাজার সূর্যতে।
বৈশাখী সূর্যদয়ে তার আত্মপ্রকাশ, মেঘমালতি। সদ্যজাত শিশু সূর্য দুপুরে দেয়, আগুনে আহুতি। 
সোহাগী বিহ্বলা প্রেমিকা মত, মেঘলা চাদরে।
রোদের কিরনে চিরবিরহীর ফুল গুলি যে মরে।
ভেজা অশ্রু চোখে চেয়ে থাকে পৃথিবী দিগন্তে।
ক্ষণিক আয়ূর উৎসবে বিধাতার চরণ প্রান্তে। 
সারা রজনী লোকানো সূর্য, ভোরের স্নিগ্ধতায়। বৈশাখী বাতাসে নবোদ্ভিন্ন বৃক্ষ মুক্ত শ্যামলিয়ায়।
পত্রাবরণে সুষমা ঢালে, প্রদোষ সমীরণে আজ।
দৈন্যদশায় ভারাক্রান্ত পৃথিবীটায় পড়ে তপ্ত বাজ।
প্রখর আগুন প্রবাহে পথ ঘাটের মন পড়ে যায়।
সঙ্গী তার ভোরের সূর্য, অকিঞ্চন ভালোবাসায়।

Comments

Popular posts from this blog

কলকাতার নামকরণ

রবীন্দ্রনাথের প্রতি সুকান্ত

অশ্বত্থামা