কাদম্বরী



কাদম্বরী দেবীকে উৎসর্গীকৃত রবীন্দ্রনাথের প্রন্থ বিষয়ক একটি রচনা।ー

শ্রীমতী হে: তোমাকে দিলাম

ধনঞ্জয় ঘোষাল


কারও কারও চোখের ওপর মেঘের রেলিং। কেউ কেউ স্বপ্নবিলাসী । ঠাকুর বাড়ির মহর্ষি পরিবারের জ্যোতিরিন্দ্রনাথের সহধর্মিনী যেন তেমনই এক মাঠের ওপর আটকে থাকা দীঘি। মাগাত্রিয় কাদম্বরীকে রবীন্দ্রনার্স কোর্ট করতে এক চাস? করেছিলেন। ভরন রবির প্রথম প্রকাশিত এন্থ কবিাহিনী, একশটিতে হয়েছিল ১৮৭৮-১ রবি তখন আঠারো বছরের যুবক। দু-বছর পরে বেরোল 'বনফুল' আর তার পরের বছর ১৮৮১ তি ককি উৎসর্গ করেননি। উৎসর্গ নেই, কর অবিবাহিত রবি হয়তো এই খুব রাখার রাতে আ ওয়াশিত হল 'বাল্মিকী প্রতিভা'। এই তিনটি বই কাউকেই

সেই প্রথম, যুবক রবি কাউকে বই উৎসর্গ করছেন। ভালবাসার মানুষ ক্রিম। 
কবি তাঁর চতুর্থ, সন্থের উৎসাদিরে লিখলেন- প্রমৈত্রী চে-কে উৎসনীয়। বোকান কাদম্বরী দেবীকে। কিন্তু শ্রীমতী ছে' কেন লিখলেন টচার?"

এক গ্রীক দেবী, এমন রহস্যময়ী দেবী হেকেটি যাঁর পাকি পৃথিবী, স্বর্গ, সমুদ্র (মেম্ভবঙ্গ মানুষেরা শদম্বরীকে হেকেটি বলে নাকি ডাকতেন। হোমটি এডি ক্লীক ছিল। বিহারীলাল, জ্যোতিরিন্দ্রনাম ও কীঘ্রলসই বি সেই ডিন ভুবন? হেকেটির বৎস্য বেদ করে সুবক বার ভগ্নহৃদয় অনুখানির উৎসবর্ণ এই লিখলেন শ্রীমনী, হে-কে? আর, ভদ্রমণের সঙ্গে কাদম্বরীকে লেখা এই কবিতাটি মুদ্রিত হল উপহারস্বরূপ।
হৃদয়ের বনে বনে সূর্যমুখী শত শত 
ওই মুখ পানে চেয়ে ফুটিয়া উঠেছে যত
বেঁচে থাকে বেঁচে থাক্, শুকায় শুকায়ে যাক, 
ওই মুখপানে তারা চাহিয়া থাকিতে চায়, 
বেলা অবসান হবে, মুদিয়া আসিবে যবে
ওই মুখ চেয়ে যেন নীরবে করিয়া যায়।
জীবন-সমুদ্রে তব জীবন-ওটিনী মোর 
মিশায়েছি একেবারে আনন্দে হইয়ে ভোর, 
সন্ধ্যার বাতাস লাগি উর্মি যত উঠে জাগি, 
অথবা তরঙ্গ উঠে ঝটিকায় আকুলিয়া, 
জানে বা না জানে কেউ জীবনের প্রতি ঢেউ 
মিশিবে-বিরাম পাবে তোমার চরণে গিয়া।


হয়ত জান না, দেবি, অদৃশ্য বাঁধন দিয়া 
নিয়মিত পথে এক ফিরাইছ মোর হিয়া। 
গেছি দূরে, গেছি কাছে, সেই আকর্ষণ আছে, 
পথভ্রষ্ট হইনাক তাহারি অটল বলে, 
নহিলে হৃদয় মম ছিন্ন ধূমকেতু সম 
দিশাহারা হইত সে অনন্ত আকাশ তলে।

Comments

Popular posts from this blog

কলকাতার নামকরণ

রবীন্দ্রনাথের প্রতি সুকান্ত

অশ্বত্থামা