Posts

Showing posts from September, 2025

ফোন

ফোন নবেন্দুর নতুন কেনা ফোনটা বেজে উঠলো,  - হ্যালো  ওপারে একটা মহিলার গলা,  হ্যালো আমি কি নবেন্দুর সঙ্গে কথা বলছি? - হ্যাঁ বলছি। - আমি রিনা বলছি। - কে রিনা ?  - ভুলে গেলে আমাকে ? - রিনা বলে কাউকে আমি চিনি, এমন মনে পড়ছে না। একটা রেফারেন্স দিন, তবেই তো চিনব। - কি অদ্ভুত তাই না নবেন্দু? ভালোবাসার এই প্রতিদান। - আচ্ছা মুস্কিল তো! মনে পড়ছে না, কে রিনা। - রিনা বলে কত জনের সঙ্গে তোমার প্রেম ছিল? - প্রেম! - হ্যাঁ প্রেম, আমি তখন সবে নাইন, তুমি বারো তে। পড়ানোর নাম করে, আমাকে - - কে বলোতো তুমি? কেন আমাকে এই পঁয়তাল্লিশএ - আমার বউ বাচ্চা রয়েছে, কি চাও তুমি? - এই তুমি আমাকে চিনেছ। আপনি থেকে তুমিতে নেমেছ। - তুমি বললেই কি চিনেছি? সত্যিই আমার তোমাকে মনে পড়ছে না।  -  মনে পড়বে কি করে? প্রেম তো তোমার কম হয়নি? প্রেম তো নয়, শুধু শরীর, কচি কচি মেয়েদের শরীরটাই সব তোমার কাছে, একবার তাকে খাওয়া হলে ব্যস প্রেম শেষ, আমাকেও তুমি শেষ করেছো এই ভাবেই, সেই রাতের পর তুমি আর ঘুরে তাকাও নি আমার দিকে, বন্ধুর বাড়ি ঘুরতে এসে, তার বোনকে এই ভাবে, তোমার জন্যে আমার কত অপমান সহ্য করতে হয়েছ...

রাধা

রাধা দেবপ্রসাদ রাজা বিশ্বভানু রানি কীর্তির কোনো সন্তান নাই। ভারি কষ্ট মনে, প্রতিদিন ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন সন্তানের জন্য, কিন্তু ঈশ্বর তার কথা শোনেন না। একদিন রানি কীর্তি যমুনায় স্নান করতে যান, দেখেন একটি পদ্ম ফুল স্রোতের বিপরীতে আসছে তার ভেতর দিয়ে আলোর জ্যোতি বেরোচ্ছে, রানি ফুলের কাছে গেলেন, আলোয় আলোকিত হলো সেই ভোর সূর্যদেব নদীর বুক থেকে উঠে এলেন, ফুলের পাপড়ি খুলে গেলো, ভেতরে এক ছোট্ট কন্যা শিশু যেন সেই আলোর সাথে খেলা করছে, রানি দেখে প্রফুল্লিত হলেন, হাতে তুলে নিলেন সেই কন্যাকে, আনন্দে আত্মহারা হয়ে ছুটলেন রাজবাড়ীর দিকে, রাজা বিশ্বভানুকে সব বললেন, শুনে রাজা বললেন আমাদের প্রার্থনা ঈশ্বর শুনেছেন, আমাদের ঘরে লক্ষী এসেছে, সকলে আনন্দ করতে লাগলেন, রাজ পুরোহিত এলেন ভাগ্য গণনা হলো, কিন্তু একি হলো শিশু যে চোখ খুলছে না, রাজ বৈদ্য এলেন, অনেক চেষ্টা করেও কন্যার চোখ খুললো না, রাজা বললেন থাক এই শিশু আমার কন্যা তা যাই হোক, নাম রাখলেন রাধা, ধীরে ধীরে মাস গেলো, এক দুই করে এগারো মাস কেটে গেলো তবু কন্যা চোখ খুললো না। ওদিকে মথুরার কংশ, এক এক করে বোনের বাচ্চাদের মেরে ফেলতে লাগলো, কারণ বন্ধু বসুদ...