সম্পাদকীয়
'হাতে পায়ে শৃঙ্খলিত বিষণ্ণ মানুষ হারিয়ে ফেলেছে সব। ভাত হীন ভাতের থালা হাতে অর্ধনগ্ন মেয়েটা কে দেখে চালের দোকানের পশুটার লালসার জিব বেরিয়ে পড়েছে বারো হাত। বঞ্চনার সাথে জড়িয়ে উদ্বাত্ম জীবনে একান্ত বেদনাবোধ মধ্যবিত্তের সংকট, খুব বাস্তব আত্মিক বিচ্ছিন্নতা, 'যে জীবন মানুষের সাথে সমস্যাদীর্ণ আর্থিক ছবি পরিস্ফুট। এই বিরূপ পরিস্থিতিতে সহায় সম্বলহীন মানুষের মর্মস্পর্শী বৃত্তান্ত সন্নিবিষ্ট হয়েছে ' অঙ্গীকার' এর নিজস্ব অনুভবে। বেঁচে থাকার চাবি হারানো মানুষের দুঃসহ জীবনযাপন, অস্বচ্ছলতার প্রশ্নও এসেছে অবধারিতভাবে আত্মসংলগ্ন ভূমির জন্য মানুষের অন্তর্গত মায়াটান অপ্রতিরোধ্য। এর বাইরে ডাল-ভাত রুটি-রুজির জীবনে যে প্রভাব যে সংকট ঘনীভূত হয়েছিল তাও প্রতীয়মান হয়েছে ছত্রে ছত্রে। দেশতো শুধুমাত্র সম্প্রদায়গত বিভাজন নয়, মানুষের স্বাধীনতা এবং মানবিক চেতনারও বিভাজন। আমরা সেই সময়ের ছবি ইতিহাসের পাতায় সেভাবে পাব না। যতখানি দেখতে পাব সাহিত্যের আলোয় আমাদের 'অঙ্গীকার' এ নিরাভরণ দীপ্তিতে। চলছে সত্যকে আড়াল করার নির্মম প্রয়াস। ফলে মানবিক বিষয়গুলি ধামাচাপা পড়ে যায়। কিন্তু মানুষের হৃদয় জানে আসল...