Posts

Showing posts from August, 2025

সম্পাদকীয়

'হাতে পায়ে শৃঙ্খলিত বিষণ্ণ মানুষ হারিয়ে ফেলেছে সব। ভাত হীন ভাতের থালা হাতে অর্ধনগ্ন মেয়েটা কে দেখে চালের দোকানের পশুটার  লালসার জিব বেরিয়ে পড়েছে বারো হাত।  বঞ্চনার সাথে জড়িয়ে উদ্বাত্ম জীবনে একান্ত বেদনাবোধ মধ্যবিত্তের সংকট, খুব বাস্তব আত্মিক বিচ্ছিন্নতা, 'যে জীবন মানুষের সাথে সমস্যাদীর্ণ আর্থিক ছবি পরিস্ফুট। এই বিরূপ পরিস্থিতিতে সহায় সম্বলহীন মানুষের মর্মস্পর্শী বৃত্তান্ত সন্নিবিষ্ট হয়েছে ' অঙ্গীকার' এর নিজস্ব অনুভবে। বেঁচে থাকার চাবি হারানো মানুষের দুঃসহ জীবনযাপন, অস্বচ্ছলতার প্রশ্নও এসেছে অবধারিতভাবে আত্মসংলগ্ন ভূমির জন্য মানুষের অন্তর্গত মায়াটান অপ্রতিরোধ্য। এর বাইরে ডাল-ভাত রুটি-রুজির জীবনে যে প্রভাব যে সংকট ঘনীভূত হয়েছিল তাও প্রতীয়মান হয়েছে ছত্রে ছত্রে। দেশতো শুধুমাত্র সম্প্রদায়গত বিভাজন নয়, মানুষের স্বাধীনতা এবং মানবিক চেতনারও বিভাজন। আমরা সেই সময়ের ছবি ইতিহাসের পাতায় সেভাবে পাব না। যতখানি দেখতে পাব সাহিত্যের আলোয় আমাদের 'অঙ্গীকার' এ নিরাভরণ দীপ্তিতে। চলছে সত্যকে আড়াল করার নির্মম প্রয়াস। ফলে মানবিক বিষয়গুলি ধামাচাপা পড়ে যায়। কিন্তু মানুষের হৃদয় জানে আসল...

ফটো

১৮২৬ সালে নিজের ছাদ থেকে একটা ফোটো তুলতে নিপসের লেগেছিল প্রায় চার ঘণ্টা। ভাবা যায়!!  তার কিছুদিন পরে, ১৮৩৯ সাল। ফিলাডেলফিয়ার অ্যামেচার রসায়নবিদ তথা ফটোগ্রাফার রবার্ট কর্নেলিয়াস নিজের বাড়ির মুদি দোকানের পিছনে একটা ক্যামেরা বসিয়ে, তার ঢাকনা খুলে ছবি তোলার প্ল্যান করলেন। কিন্তু কি মুশকিল! সে সময় বাড়িতে কেউ নেই। অগত্যা ঢাকনা খুলেই ক্যামেরার সামনে ঠায় এক মিনিট পাথরের মতো বসে থাকলেন তিনি। তারপর লেন্স বন্ধ করে ছবি ডেভেলপ করে দেখলেন দিব্যি এসেছে তার ছবি। দাগেরোটাইপ সেই ছবির পিছনে তিনি লিখলেন “The first light Picture ever taken. 1839.” পৃথিবীর প্রথম সেলফি।  এই দাগেরোটাইপ ছবির আবিষ্কার করেন ফরাসি দেশের জে এম দেগারে। এই পদ্ধতিতে রুপোর প্রলেপ দেওয়া পাতের উপর ছবি তোলা হত। তাই রুপো খসে গেলে ছবিও নষ্ট হয়ে যেত। ক্যালোটাইপ পদ্ধতির আবিষ্কারক ট্যালবটের সে সমস্যা ছিল না। তাঁর নেগেটিভ থেকে ইচ্ছেমতো পজিটিভ বানানো যেত। তখন ছবি তোলা রীতিমতো এক ঘটনা ছিল। একটুও নড়লেই ছবি খারাপ হয়ে যাবে। তাই স্ট্যান্ড থাকত, যাতে গলা মাথা সব আটকে ছবি তোলা হত। এক একটা ছবি তুলতে আধ ঘণ্টা লাগত। বাংলায় ছবি তোলার প্রচলন মোটাম...

সম্মাননা

অঙ্কুরীশা সাহিত্য পত্রিকা  তুলসী জানা স্মৃতি পুরষ্কার ২০২৫ প্রাপক: কবি   হে সাহিত্য সাধক "এ জীবন দান যাঁর  তাঁরে খুঁজি বারবার" ওই বুঝি তাঁর শান্ত পদ ধ্বনি বাজে। সাহিত্য যাঁর হৃদয়ে বসত করত দিবানিশি, বই যাঁর প্রাণ, জীবনের শেষ দিনটিতেও সঙ্গী ছিল মলাট বন্দী অমৃতের ভান্ডার, সেই সাহিত্য পিপাসু তুলসী জানা মহাশয়া, উত্তর ২৪ পরগনার নিমতা অঞ্চলের এক উজ্জ্বল নাম।  বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির অঙ্গনে আপনার দৃপ্ত বিচরণ অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। আপনার কাব্যশৈলীর সৃজনশীলতার সেবাধর্ম  আমাদের ঋদ্ধ করে। 'অঙ্কুরীশা শারদ সংখ্যা২০২৫ প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই পঞ্চম বর্ষে  আপনার অক্ষর সেবা সাধনাকে আমরা সম্মান জানাই। আপনার অসামান্য কলমদক্ষতার হাত ধরে বাংলা সাহিত্য এগিয়ে যাবে, এই  দৃঢ় প্রত্যয় রেখে আপনার এই সৃজনশীল হাতে তুলে দিলাম সেই সাহিত্য প্রেমীর নামাঙ্কিত এই পুরষ্কার।  সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রচার ও প্রসারে আপনার দায়বদ্ধতা এবং একাগ্রতার স্বীকৃতিকে সম্মান জানাতে পেরে  আমরা খুশি। আপনার সুস্থতা এবং দীর্ঘ কলমজীবন কামনা করি। অভিনন্দন সহ- বিদ্যুৎ দাস  দেবপ্রসাদ জানা  ...